নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০২০ সালে ছেলে শভেন্দু বিজেপিতে যোগদান করেন। এরপর থেকে ছেলের হয়েই বারবার মুখ খুলেছেন শিশির অধিকারী। এমনকি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একই প্রচার মঞ্চে দেখা গেছে তাঁকে। সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনী পর্বে দিল্লিতে গিয়ে শিশির অধিকারী জানালেন তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ Economic Crisis: শুধু শ্রীলঙ্কা না, বিশ্বের প্রায় ১ ডজন দেশ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে!


তৃণমূলের তরফে সমস্ত সাংসদদের বলা হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে ব্যালট কলকাতায় আনিয়ে নেওয়ার জন্য। কিন্তু সেই বার্তা শিশির অধিকারীর কাছে পাঠানো হয়নি। তিনি বলেন, আমাকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বারবার তদ্বির করা হচ্ছে। আমি উত্তরও দিয়েছি। কিন্তু এটা আমায় জানানো হয়নি।
শিশির অধিকারী আজ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তিনি কখনই বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেননি। তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন। তাঁর কথায়, খুচরা পয়সা, নয়া পয়সা যা লোক আমায় আক্রমণ করেছেন ইতিহাস হয়ে রয়েছে। দল তাঁকে ছাঁটাইয়ের চেষ্টা করলেও দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়লেও নীতিগতভাবে আমি তৃণমূলে আছি জানিয়েছেন কাঁথির সাংসদ।

এদিন তিনি বলেন, দলের নির্দেশ মেনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট করেছেন তিনি। তবে দ্রৌপদী মুর্মু আগামী দিনে জয়লাভ করবে বলে মনে করছেন। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপাল হিসাবে ভালো লোক ছিলেন তাই উপরাষ্ট্রপতি পদে তাঁকে দেখতে চান।


উল্লেখ্য, একই সুর আজ শোনা গেছে শান্তিকুঞ্জ পরিবারের আরও এক সদস্য দিব্যেন্দু অধিকারীর মুখেতেও। তিনি বলেন, নিশ্চিতভাবে যিনি যোগ্য, তিনিই জয়লাভ করবেন। দলের কথাটাও মাথায় রাখতে হয়। আমার মাথায় সেই কথা নিশ্চিতভাবে রয়েছে। দল বলেছিল আমায় জানায়নি। আমি জানতাম না আমায় দিল্লিতে এসে ভোট দিতে হবে। সাইলেন্টলি এখনও দলের সঙ্গে আছি।
আমি তৃণমূলে আছি, সাফ জানিয়ে দিলেন শিশির

তবে দিব্যেন্দুর আক্ষেপ সাংসদ হয়েও জেলা প্রশাসনের কাছে গুরুত্ব পাননি। তাঁর বক্তব্য, আগামী দিনে রাজনীতি করব কি করব না সেটা পরের কথা। জেলা পুলিশ থেকে জেলা আধিকারিক সকলেই দূরত্ব রেখে চলছে। তারাই ভালো করে বলতে পারবে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বিচক্ষণতার মধ্যে দিয়ে বিষয়টি দেখবেন।








