মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল হুমায়ুন কবীর নামটি। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি—রেজিনগর ও বেলডাঙায় লড়বেন হুমায়ুন কবীর। তবে এই দুই আসন ছাড়া মুর্শিদাবাদের অন্য দুটি আসনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরাও হুমায়ুন কবীর (তৃণমূল থেকে সাসপেন্ডেড রেজিনগরের বিধায়ক) নন।
জনতা উন্নয়ন পার্টি সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের এই দুই আসন থেকেই যাঁরা প্রার্থী হচ্ছেন, তাঁদের নামও হুমায়ুন কবীর। কাকতালীয়ভাবে এই দুই হুমায়ুন কবীরই আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি দলের।


প্রতীক জোড়া গোলাপ, দল জনতা উন্নয়ন পার্টি
এই দুই আসনে লড়াই করা প্রার্থীদের দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে তাঁদের প্রতীক হবে জোড়া গোলাপ। নামের মিল থাকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি এড়াতে প্রচারে বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলে ধরা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
মেদিনীপুরেও প্রার্থী, নাম প্রকাশ হয়নি
দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর আসন থেকেও জনতা উন্নয়ন পার্টি প্রার্থী দেবে। তবে সেই প্রার্থীর নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
১৮২ আসনে লড়াই, প্রয়োজনে ২৯৪ আসনেই প্রার্থী
দলের সর্বভারতীয় পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, আপাতত রাজ্যের ১৮২টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে জনতা উন্নয়ন পার্টির। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংগঠনের শক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে পশ্চিমবঙ্গের সবকটি ২৯৪ আসনেই প্রার্থী দেওয়া হতে পারে।


দলীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, “আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। যেখানে সংগঠন তৈরি, সেখানেই প্রার্থী। তবে দরকার হলে গোটা রাজ্যেই লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।”








