নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজকাল তরুন প্রজন্মদের ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি অ্যাটাক, প্যানিক অ্যাটাক নিত্যসঙ্গী। মনখারাপ এখন সবার নতুন রোগ। তবে এর কারণে অনেকের কাজ পড়াশোনার মধ্যে প্রভাব ফেলে। কারী কারী ওষুধ খেয়েও মিলছে না রেহাই। তবে এর থেকে কিছু সাধারণ উপায়েই মুক্তি পাওয়া সম্ভব এমন ই তথ্য দিলো দিল্লি এইমসের (AIIMS) মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রোহিত বর্মা।
আরও পড়ুনঃ প্রযোজকের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ, পরিচালকের প্ররোচনাতেই এই কাজ স্বস্তিকার?



কেন হয় ?
সারাদিন অফিসের নানা কাজ, স্কুল, কলেজের পড়াশোনা পরীক্ষার কাজ, প্রেমিক প্রেমিকার সাথে বিচ্ছেদ, কিংবা সহকর্মী বা সহপাঠীদের সাথে মন কষাকষি, একাকীত্ব, মনের মতো জীবন সঙ্গী বা মনের মতো বন্ধু না পাওয়া ইত্যাদি নানা কারণে অবসাদ আসতে পারে।



কিকরে বুজবেন আপনি অবসাদে ভুগছেন?
অ্যাংজাইটি অ্যাটাক, প্যানিক অ্যাটাক হলে আপনি কোন কাজে মন দিতে পারবেন না, সব সময় মন খারাপ থাকবে। মাথার মধ্যে হাজারও চিন্তা বাসা বেধে থাকবে, পাগল পাগল লাগে অনেক সময়। শ্বাস কষ্ট, হাত পা কাপা, বুক ধরফর আরও অনেক রকম লক্ষন দেখা যায়, অনেক সময় মনে হয় দম বন্ধ হয়ে মরে যাবেন। অনেকের এর কারণে হার্ট অ্যাটার্ক ও হতে দেখা গেছে।

এর থেকে বেড়িয়ে আসার উপায় AIIMS এর মতে।
১) আপনি যদি বই পরতে ভালবাসেন তাহলে নিজের পছন্দ মতো বই পড়ুন, নিজের বই না থাকলে কোন বন্ধু বা লাইব্রেরী থেকেও নিতে পারেন। বই পরতে যদি একান্তই ভালো না বাসেন তাহলে বিভিন্ন অডিও গল্প শুনতে পারেন , তাহলে ওই সময় আপনি উটকো চিন্তা যা আপনার মনের মধ্যে বাসা বেধে ছিল তা থেকে মুক্তি পাবেন।
২) পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যান। যদি আপনার কাছে টাকা থাকে তাহলে আপনি দুরে কোন পাহাড় বা সমুদ্রে ঘুরতে যেতে পারেন। যদি টাকা না থাকে বা আপনি স্টুডেন্ট হন দুরে কথাও যাওয়ার পারমিশন পাবেন না তাহলে কাছাকাছি কোন পার্কে বা গঙ্গার কথাও হাওয়া খেতে যেতে পারেন এতে মন শান্ত হবে, খারাপ চিন্তাও মাথায় কম আসছে।
অ্যাংজাইটি অ্যাটাক, প্যানিক অ্যাটাক নিত্যসঙ্গী? ডাইরি লেখাটা নিত্য দিনের সঙ্গী করে ফেলুন
৩) অনেক সময় মনের মতো পারফিউম ব্যাবহার করলে মন সতেজ থাকে সুগন্ধি প্রেমিদের।
৪) ডাইরি লিখুন, অনেক সময় নিজের মনের কথা শেয়ার করার মতো বন্ধু থাকে না, বা শেয়ার করে ঠকেছেন, তাই এখন ভয় পান। তাঁরা ডাইরি লেখাটা নিত্য দিনের সঙ্গী করে ফেলুন।







