নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই মুহুর্তে জেল হেফাজতে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবুও বিধানসভার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। এবার খোদ স্পিকারের মুখে উঠে এল মমতা কেবিনেটের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থর প্রসঙ্গ। বলে ফেললেন, জানতে ইচ্ছে করছে উনি কেমন আছেন?
আরও পড়ুনঃ Sudip-Tapas: আমি হেফাজতে থাকা লোক নই, সুদীপ বনাম তাপসের বাকযুদ্ধে বাড়ছে উত্তাপ


বেসরকারি সংস্থার চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগদান করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বরাবর নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুজ বলে দাবি করেছেন তিনি। তাই মহাসচিবের মতো বিশেষ পদে দীর্ঘ সময় পার্থকে বসিয়ে রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর পাহাড় পরমাণ দুর্নীতির কথা শুনে তাজ্জব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো নিজেও।

শুক্রবার বিধানসভায় একাধিক বিষয় নিয়ে সরব হন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমার তো মনে হচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি যদি কোন ব্যক্তিকে টার্গেট করে তাহলে তাঁরা যেন তেন প্রকারেণ তাঁকে হেনস্থা করবে। নো বডি ইজ সেফ ইন দ্য হ্যান্ড অব এজেন্সি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তার অস্বস্তি ব্যক্ত করেছেন আমিও বলছি এজেন্সিগুলোর আরও একটু বুঝে শুনে এগোনো উচিত’।
এরপরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে স্পিকার বলেন, আমি তো জানতামই না এই ধরনের একটা অভিযোগের সঙ্গে উনি জড়িয়ে পড়বেন। ওনার সাথে এতদিনের চেনাজানা তাই একটু তো অস্বস্তি লাগেই। তবে জানতে ইচ্ছে করে উনি কেমন আছেন। কিন্তু উনি সত্যিই দোষ করে থাকলে শাস্তি পাবেন। আইন আইনের পথে চলবে।


জানতে ইচ্ছে করছে উনি কেমন আছেন? এবার সরব হলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়

তাঁর কথায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে দেখেছি। আমাকে কিছু জানানো হয়নি। এটা ঠিক নয়। কারণ নিয়ম অনুযায়ী বিধায়ক বা মন্ত্রীদের চার্জশিট দেওয়ার আগে স্পিকারের অনুমতি নিতে হয়। এক্ষেত্রে আমার কাছে কেউ কোনও অনুমতি নেয়নি।







