নজরবন্দি ব্যুরোঃ হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে সাফ জানিয়ে দিল কর্ণাটক হাইকোর্ট। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করতে কর্ণাটক হাইকোর্টে পাঁচটি মামলা দায়ের হয়েছিল। আদালত মামলা খারিজ করে রায় ঘোষণা করল। যার ফলে বড় ধাক্কা খেল পড়ুয়ারা।
আরও পড়ুনঃ Kolkata Metro: দোলের সকালে ভোগান্তি হতে পারে মেট্রোর জন্য, জানুন কিভাবে কি করবেন


এদিন গোলমালের আশংকার জন্য ১৫ থেকে ১৯ তারিখ অবধ সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে কোনওরকম জমায়েত যাতে না হয়ে সেজন্য প্রশাসনের তরফে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ নজরদারি রয়েছে রাজধানী ব্যাঙ্গালুরু এবং ম্যাঙ্গালুরুতেও।
গত মাস থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক বেড়েই চলেছিল। গত মাসেই কর্ণাটক হাইকোর্টের তরফে হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের কর্ণাটক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কয়েকজন পড়ুয়া। তাঁদের বক্তব্য, হিজাব পরা সাংবিধানিক অধিকার। প্রায় ১১ দিন ধরে মামলার শুনানি চলার পর রায়দান হল।
হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়, মামলা খারিজ হাইকোর্টের
এরই মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক বেড়েই চলেছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা গিয়েছিল। এমনকি স্কুল হসিক্ষকরা হিজাব পড়ে আসায় বাধা দেওয়া হচ্ছিল।


২৬ জানুয়ারি কর্নাটক সরকার এবিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে। ঘোষণা করা হয়, কমিটি নির্দিষ্ট সুপারিশ করার আগে ছাত্রীরা কেবলমাত্র ইউনিফর্ম পরেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে পারবেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উদুপির কয়েকজন ছাত্রী কর্নাটক হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। তাঁরা আদালতকে জানান, হিজাব পরা তাঁদের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। কোনও ভাবেই তা বাতিল করা যায় না।







