নজরবন্দি ব্যুরো: মেঘভাঙা বৃষ্টিরতে লোনক হ্রদ ফেটে হুড়মুড়িয়ে জল নেমে এসেছে তিস্তায়। যার ফলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তার জলস্তর। আর আচমকা নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার ফলে সিকিমের উত্তর জেলা প্রশাসন সতর্কতা জারি করেছে। অন্যদিকে, আচমকা তিস্তার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার ফলে সিকিমের রাস্তায় উঠে এসেছে জল। আর তাতেই ভেসে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন সেনার ২৩ জওয়ান।
আরও পড়ুন: Weather Update: নিম্নচাপের কবলে বাংলা, কতদিন চলবে ভারী বৃষ্টি, সতর্কতা হাওয়া অফিসের


এদিকে, এসপি (মানগান জেলা), সোনম দেচু, সিকিম ক্রনিকলের সাথে ফোনে কথোপকথনে উচ্চ সতর্কতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে নিচু এলাকার গুলিতে ইতিমধ্যেই স্থানীয় থানার পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা নদীর তীরে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্য জরুরীভাবে উঁচু ভূমিতে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জানা যাচ্ছে যে, সিংটাম এবং রংপোর বাসিন্দাদের উঁচু এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ গোটা পরিস্থিতি ওপর নজর রাখছে। পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয় করছে। এপ্রসঙ্গে সেনার ইস্টার্ন কমান্ড জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিতে উত্তর সিকিমের লাচেন উপত্যকার লোনক হ্রদ উপচে পড়েছে। চুংথাম বাঁধ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল চলে আসে তিস্তা নদীতে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, অন্তত ২৩ জন সেনা জওয়ানের কোনও খোঁজ মিলছে না। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।



ইতিমধ্যেই ভয়ঙ্কর তিস্তার রুদ্ররূপের জেরে চিন্তার ভাঁজ পরেছে প্রশাসনের কপালে। ইতিমধ্যেই তিস্তায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই তিস্তার জলস্তর বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে একাধিক ব্যারাজে। যদি জলস্তর ২৫ থেকে ২৬ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় তাহলে গাজলডোবা ব্যারাজ, দোমহনি, মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম, জারি হাই অ্যালার্ট

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



