করোনায় মৃত সহকর্মী, পিপিই কিট চেয়ে কর্মবিরতিতে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কর্মীরা!

করোনায় মৃত সহকর্মী, পিপিই কিট চেয়ে কর্মবিরতিতে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কর্মীরা!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনায় মৃত সহকর্মী, পিপিই কিট চেয়ে কর্মবিরতিতে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কর্মীরা। কিন্তু এই করোনার ভয়াবহ আবহে কর্মবিরতি কেন! উল্লেখ্য কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মী নাম অমিত পাখিরা মারা গিয়েছেন সদ্য, সহকর্মীদের দাবি তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। সহকর্মীর অকাল মৃত্যুর জন্য পুরসভার উদাসীনতা কে দায়ি করে কর্মবিরতি পালন করেন কর্মীরা। তাঁদের সাফ বক্তব্য, করোনা সংক্রমণ রুখতে পিপিই বা অন্যান্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা যতক্ষন না গ্রহন করা হবে ততক্ষন কাজে কাজ যোগ দেব না।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর বহিরাগত রোগী তে প্রশ্ন চিহ্ন! কলকাতায় ফের বাড়ল কনটেনমেন্ট জোন।

অন্যদিকে পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম স্বাস্থ্য কর্মীর করোনা সংক্রামিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা অস্বীকার করেছেন। ফিরহাদ জানিয়েছেন, “মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই দুঃখজনক। কিন্তু উনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন।” তিনি আরও জানান পুরসভার সমস্ত বিভাগের অফিসে কাঁচের কাউন্টার বসানো হচ্ছে। যদিও এই কথায় ভোলেন নি স্বাস্থ্য কর্মীরা, তাঁদের দাবি করোনা সংক্রমণ রুখতে পিপিই বা অন্যান্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা যতক্ষন না গ্রহন করা হবে ততক্ষন কাজে কাজ যোগ দেব না।

অন্যদিকে, এদিন ফের বাড়ানো হয়েছে কলকাতার কন্টেন্মেন্ট জোনের সংখ্য। ৩ দিন আগে কনটেন্মেন্ট জোন ২৮ থেকে ২৪ শে নামিয়ে দেওয়া হলেও এদিন ফের তা বাড়িয়ে ৩২ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যে গত ১০ দিনে সুস্থতার হার নেমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। এদিকে আজ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ১৯৮ জন, মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। আজ সংক্রমণের কবলে ১ টি বাদে রাজ্যের সব জেলা! জেলার মধ্যে কলকাতায় এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৮ জন, এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। কোলকাতায় মোট সংক্রামিত হয়েছেন এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৬৮২ জন।

কলকাতায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৬১ জনের। অন্যদিকে কলকাতায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ৯৬৩ জন। এই মুহুর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫ হাজার ১৫৫ জন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, কলকাতার এই বাড়বাড়ন্ত করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতিতে গত পরশু কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল কন্টেন্মেন্ট জোনের সংখ্যা! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন বাইরের রাজ্য আর জেলা থেকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে আর মৃত্যু হচ্ছে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *