নজরবন্দি ব্যুরো: ৬ মের মধ্যে পৈতৃক বাড়ির ১৩ ডেসিমেল জায়গা খালি করার জন্য নোবেলজয়ী অর্থনীতিবীদকে নোটিশ পাঠিয়েছিল বিশ্বভারতী। এরপরে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে অমর্ত্য সেন। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিভাস রঞ্জন দের তরফে জানিয়ে দেওয় হয়, নিম্ন আদালতে শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বিশ্বভারতীর তরফে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।
আরও পড়ুনঃ DA Protest: হাইকোর্টের দেওয়া রুট অনুসরণ করেই মিছিল, তৈরি হচ্ছে সরকারি কর্মচারিরা


একইসঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্বভারতীর তরফে যে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, সেটায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। আপাতত হাইকোর্টের নির্দেশে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না বিশ্বভারতী। আগামী বুধবার নিম্ন আদালতে রয়েছে মামলার শুনানি। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত এর আগে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ১৩ ডেসিমেল জমি খালি করে দেওয়া জন্য বিশ্বভারতির তরফে নোবেলজতী অর্থনীতিবীদকে চিঠি সেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, অনুমোদিত দখলদার উচ্ছেদ আইন ১৯৭১ ধারা ৫ এর উপধারা ১এর অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে ফেরানো হবে ১৩ ডেসিমেল জমি। প্রয়োজনে বল প্রয়োগ করে জমি উদ্ধার করা হবে। ৬ মে’র মধ্যে বিশ্বভারতীর প্লট নম্বর ২০১ উত্তর-পশ্চিম কোণে অর্থাৎ এল আর প্লট নম্বর ১৯০০/২৪৮৭ সুরুল মৌজার ১৯০০ জেএল নম্বর ১০৪ পাবলিক সম্পত্তির উপর অনুমোদিত দখল জমি খালি করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম কর্মসচিব ও এস্টেট অফিসারের।



বিশ্বভারতির নির্দেশের পরেই বীরভূমের নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অমর্ত্য সেন। কিন্তু বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সময় বেঁধে দেওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অমর্ত্য সেন। আবেদনে তিনি জানিয়েছেন, মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই ৬ মে অর্থাৎ শনিবারের পর কর্তৃপক্ষ তাঁর জায়গা কেড়ে নিতে পারে। তাঁর দাবি, সিউড়ি আদালত তাঁর আবেদনের গুরুত্ব বুঝতে পারেনি।
হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে অমর্ত্য সেন, বিশ্বভারতীর নোটিশে স্থগিতাদেশ

এদিন বিশ্বভারতীর তরফে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সুচরিতা বিশ্বাস। তিনি বলেন, নিম্ন আদালত কোনও নির্দেশ দেয়নি। তার মাঝে কীভাবে নতুন মামলা! হাইকোর্ট শুনতে পারে না এই মামলা। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য ছিল, ১৩ ডেসিমেল জমি দখল করে আছেন। ইউনিভার্সিটির জমি নিয়ে আছেন। লজ্জা পাওয়া উচিৎ। এরপরেই পুলিশ নিয়ে উচ্ছেদের আশঙ্কার কথা জানান অমর্ত্য সেনের আইনজীবী। এরপরেই স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এখন হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে অমর্ত্য সেন।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



