নজরবন্দি ব্যুরোঃ আদিবাসীর বাড়ি ভোজ খেয়ে বাংলায় ট্যুইট! বঙ্গে ভোটের ডঙ্কা বাজালেন অমিত। দুদিনের সফরে এসে আজ, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় হেলিকপ্টারে কলকাতা থেকে বাঁকুড়ায় পৌঁছান অমিত শাহ। সেখানে বাঁকুড়া-পুরুলিয়া রাজ্য সড়কের মাঝে থাকা মুন্ডা বিদ্রোহের অন্যতম নেতা বিরসা মুন্ডার মূর্তিতেও মাল্যদান করেন তিনি। এরপর ঘোষনা করেন বঙ্গে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। এরপর দুপুরের আহার সারতে চতুরডিহি গ্রামের বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে দুপুরে খাওয়া দাওয়া সেরে অমিত শাহ জানান, “চমৎকার বাঙালী খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম।”
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনার মাঝেই বিজেপিকে ‘দোকান’ কটাক্ষ শিশিরের!


এদিন রাজ্যে এসে ভোটের ডঙ্কা বাজিয়ে দিয়েছেন অমিত শাহ । সকালেই তিনি রিতীমত আক্রমন করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার কে। গেরুয়া শিবিরের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড এদিন বাঁকুড়ায় বলেন, গতকাল রাত থেকে বাংলা এসে যে প্রান্তেই গিয়েছি সব জায়গায় মানুষের বিপুল উৎসাহ দেখেছি। ব্যাপক অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা স্পষ্ট যে, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদির প্রতি বেড়েছে আশা আর শ্রদ্ধা।”
এরপর রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, “মমতা সরকারের মৃত্যুঘন্টা বেজে গিয়েছে, দুই তৃতীয়াংশ আসনে জিতে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি।” মোদির নেতৃত্বে বাংলার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, “বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন।”
শাহ জানিয়েদেন, “ভয় পেয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। আর ভয় পেয়েছেন বলেই বাংলার কৃষকদের কেন্দ্রের পাঠানো টাকা দিচ্ছেন না।” শাহ বলেন, মমতা ভয় পেয়েছেন বলেই কেন্দ্রের পাঠানো ৬হাজার টাকা পাচ্ছেন না কৃষক রা। ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা পাচ্ছেন না গরীব পরিবারগুলো। শাহের অভিযোগ অন্তত ৮০টি প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।


তারপর আজ দুপুরে আদিবাসী পরিবারে ডাল-আলুপোস্তোয় মধ্যাহ্নভোজন। চতুরডিহি গ্রামের বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে বাঙালি রান্নার প্রশংসা করেন অমিত শাহ। পরে তিনি ট্যুইট করেন বাংলায়। ট্যুইটে অমিত লিখেছেন, “চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদা জীর বাড়িতে চমৎকার বাঙালী খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবেনা।”
আদিবাসীর বাড়ি ভোজ খেয়ে বাংলায় ট্যুইট! বঙ্গে ভোটের ডঙ্কা বাজালেন অমিত।







