নজরবন্দি ব্যুরো: ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে চিকিৎসকদের আশা। অত্যন্ত সংকটজনক বাংলার অপু। অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর আবারও অবনতি হয়েছে শারীরিক অবস্থার। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার তাঁর অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চিকিৎসকেরা জানান, মাঝে রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে এলেও ফের রাতের দিকে আবারও রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের রক্তক্ষরণ থামাতে গিয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়েই চিকিৎসকেরা সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাম করান বলে জানা গিয়েছে।


হাসপাতাল সূত্রে খবর, অ্যাঞ্জিওগ্রাম এর কারণে ব্যবহার করা ডাই অভিনেতার শরীর থেকে ছেঁকে বের করার জন্য করা হয় তার তৃতীয় দফার ডাইলিসিস ও। সৌমিত্র বাবুর শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ই নয়, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গিয়েছিল রক্তে। তাই ৪ ইউনিট রক্ত ও তাঁকে দেওয়া হয়। অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সব মিলিয়ে আবারো শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।
চিকিৎসকদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ অভিনেতার শরীরের বিভিন্ন প্যারামিটার কে নিয়ন্ত্রণে রাখাই। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে কার্ডিও থোরাসিক ভাস্কুলার সার্জনদের সর্তকতা হিসেবে। রেডিওলজি বিশেষজ্ঞদেরও ডাকা হয়েছে। অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এখনো পর্যন্ত হাসপাতালে রয়েছেন ২৫ দিন।
ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে চিকিৎসকদের আশা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অভিনেতার মস্তিষ্ক চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে না রবিবার পর্যন্ত গত ১১ দিন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত আগের মতই রয়েছেন ভেন্টিলেশন সাপোর্টেই। সৌমিত্র বাবুর ফুসফুসের অবস্থা রয়েছে আগের মতই।সংক্রমণ যাতে আর না ছড়ায় তা চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা।


অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। প্রসঙ্গত তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। পরে তিনি করোনা মুক্ত হলেও, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে দুর্গা পুজোর অষ্টমীর মধ্য রাত থেকে।







