নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্তে জালের মতো বিছিয়ে থাকা একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হুগলীর বলাগড়ের তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। কুন্তলের কাছ থেকেই গোপাল দলপতি ও তাঁর স্ত্রী হৈমন্তীর নাম পাওয়া গেছে। যা ঘিরে তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি৷ এরই মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতির আসল কালপ্রিট কে? তা খোলসা করলেন গোপাল দলপতি৷
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্যাডে দেওয়া হয়েছিল চাকরিপ্রার্থীদের বিবরণ, অ্যাপ্টিটিউড টেস্টেও নজিরবিহীন দুর্নীতি


টাকার বিনিময়ে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে গোপালকে একাধিকবার তলব করেছে তদন্তকারী সংস্থা৷ জানা গেছে, তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষ, ওই গোপাল দলপতি মারফত টাকা পৌঁছে দিত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। তাই গোপালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে চেয়েছিল সিবিআই৷ এরই মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে বেপাত্তা ছিলেন কুন্তল। গতকাল দিল্লিতে তাঁর খোঁজ মিলেছে।

সেখান থেকেই কুন্তল সম্পর্কে একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন গোপাল। তাঁর দাবি, রোজ একটার পর একটা নাম বলে আসল সত্য চাপা দিতে চাইছে কুন্তল। প্রতিদিন আলাদা আলাদা লোকের নাম বলছে। প্রথমে বলল গোপাল দলপতিকে নিয়ে ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৫ কোটি টাকা দিয়েছে। তারপর বলল গোপাল দলপতির সঙ্গে টাকা নিয়ে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওএসডি প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়কে টাকা দিয়েছে সুইস হোটেলে গিয়ে।



পাশাপাশি কুন্তলের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ককে টাকা দেওয়ার সময় সঙ্গে গোপাল দলপতি ছিলেন বলেও দাবি করেন। গোপালের কথায়, এগুলো মিথ্যা কথা প্রমাণ হয়ে গেছে। তারপর বিভাস অধিকারীর নাম তুলল। বলল ওর সঙ্গে না কি মানিক ভট্টাচার্যের প্রচুর যোগাযোগ আছে। আসলে একটার পর একটা নাম বলে আসল ঘটনাকে চাপতে চাইছে, লুকাতে চাইছে।
নিয়োগ দুর্নীতির আসল কালপ্রিট কে? জানালেন গোপাল

কার্যত ক্ষোভের সুরেই গোপাল বলে ওঠেন, আমার কাছে যা খবর আছে, সব ইডি-সিবিআইকে দেব। সব মুখোশ খুলে দেব। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই শিক্ষাক্ষেত্রে, শিক্ষক তৈরির ক্ষেত্রে, মানুষ গড়ার কারিগর তৈরির ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নিয়োগ হোক। সঠিক শিক্ষক তৈরি হোক। যারা সঠিক সমাজ তৈরি করবে৷







