নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যজুড়ে শেষ কয়েকমাসে ডেঙ্গুর যে বাড়বাড়ন্তি দেখা গিয়েছিল, তা কিছুটা নিয়ন্ত্রনে। ফলে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে সাধারন মানুষ। গত মাসের তুলনায় এই মাসে রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। ফলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে আসলেও কিন্তু কমেনি সংক্রমণ।
আরও পড়ুনঃ রেড রোডে শুক্রবার দুর্গাপুজো কার্নিভাল, যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিশেষ পরিকল্পনা মমতা সরকারের


তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনের পিছনে কিন্তু বড় হাত রয়েছে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে পুরসভার কর্মীদের। পুজোর মধ্যেও কিন্তু তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনের জন্য তাদের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছে। পুজোর চারদিনেও তারা মণ্ডপে মণ্ডপে ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো থেকে শুরু করে মশার ওষুধ ছড়ানো সমস্ত কাজ করে গিয়েছে।

এখনও কিছু নজরদারিতে রেখেছে তারা বেশ কিছু এলাকা। সংক্রমণ অনেকটা কমলেও এখনও কিন্তু দৈনিক সাত থেকে আটজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে। এমনকি এখনও হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য সমস্ত মজুত রয়েছে।
অবশেষে স্বস্তি! কমছে ডেঙ্গু সংক্রমণ



তবে কবে আমরা ডেঙ্গু থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাব? এই প্রশ্নই সকলের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের মতে সদ্য শীত পড়ছে। ফলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করলে স্বাভাবিক ভাবেই ডেঙ্গুর আধিক্য কমে। ফলে আসা করা যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি ডেঙ্গু সংক্রমণ এই মাসের মত পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তাছাড়াও শীতের সময় মশারা বংশ বিস্তার করা বন্ধ করে দেয়। ফলে আসতে আসতে কমতে শুরু করবে ডেঙ্গুর মশা। তবে জ্বর আসলে বা ডেঙ্গুর কোন উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।







