নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলা সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী তিনি। তাঁর সুরের মুর্ছনায় মজে যায় ৮ থেকে ৮০। তিনি সঙ্গীতের পিছনে ব্যয় করেছেন গোটা জীবন। গান গেয়েছেন একাধিক ভাষায়। কিন্তু মাত্র কয়েকদিন আগেই যেভাবে বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তা যে কোন যুবক যুবতীর মনের জোর কে হার মানাবে। কেন্দ্রের ‘পদ্মশ্রী’ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন সঙ্গীত শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়! আর আজ তিনি প্রয়াত!
আরও পড়ুনঃ ছাত্রছাত্রীদের হুমকি দিয়েছেন শুভেন্দু, অভিযোগ দায়ের করল টিএমসিপি


চলে গেলেন বাংলার প্রবাদপ্রতিম সঙ্গীতশিল্পী ‘গীতশ্রী’ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় (Sandhya Mukherjee)। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন গীতশ্রী। রক্তচাপ ওঠা নামা করার পাশাপাশি হার্ট ফেলিওর ছিল। এরপর কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁকে স্থানান্তিরত করা হয় বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে। কিছুদিনের মধ্যেই কোভিডমুক্ত হন তিনি।

কোমরের ভাঙা হাড়ের অস্ত্রোপচার হয় গত ১১ ফেব্রুয়ারি। সোমবার রাত থেকে শুরু হয় পেটে ব্যথা, কমতে থাকে রক্তচাপ। মঙ্গলবার সকালে তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল আইসিইউতে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। মঙ্গলবার সন্ধে ৭.৩০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।
বাংলার সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

তার প্রয়াণের সাথে সাথেই বাংলা গানে স্বর্ণযুগের শিল্পীদের শেষ তারকা নিভে গেল। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন ৯০ বছর বয়সে। আধুনিক বাংলা গানের শ্রেষ্ঠ কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, শ্যামল মিত্র, মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়রা একে একে চলে গিয়েছেন আগেই। এ বার নিভল সন্ধ্যা-প্রদীপও।বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।









