বৃহস্পতিবার মেগা দ্বৈরথে সরগরম উত্তর। মুখোমুখি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদীর সভা শহরের রাসমেলা মাঠে। আর মমতার প্রথম স্ট্র্যাটেজিক মিটিং মাথাভাঙায়। পরেরটি মালবাজারে।নজরে উত্তরবঙ্গের রাজবংশী এবং চা-বলয়ের ভোট। উত্তরে আগেই ফুটেছে পদ্ম। লক্ষ্য এবার সেই আসন ধরে রেখে দক্ষিণে নতুন ঘর তৈরি।



উত্তরবঙ্গের ৫৪টি বিধানসভা আসন। এর মধ্যে তিরিশটি আসনে রাজবংশী ভোট ২৫ শতাংশের বেশি। উনিশের লোকসভা ভোটে, এই তিরিশটি আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে ছিল ২৫ আসনে। তৃণমূল ৫ টি-তে। শাসক শিবিরের দাবি, “রাজবংশী ভোট এবার বিজেপির থেকে সরে যাবে। কারণ রাজবংশীদের উন্নয়নে বিজেপি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা একটাও বাস্তবায়িত হয়নি।”



এদিকে বিজেপির গলার কাঁটা হয়ে রয়েছেন দলেরই বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা, যিনি ইতিমধ্যে রাজু বিস্তার বিরুদ্ধে নির্দলে লড়বেন বলে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। অন্যদিকে বিদায়ী সাংসদ তথা মন্ত্রী জন বার্লা, যিনি কথা দিয়েও মনোজ টিগ্গার প্রচারে যাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। এছাড়া কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের বচসায় উতপ্ত হয়ে ওঠে দিনহাটা।

নজরে রাজবংশী ও চা বলয়ের ভোট, আজ উত্তরে শক্তিপ্রদর্শনে মোদী-মমতা
তবে ভোটের হানাহানিতে তপ্ত কোচবিহারে দুই শীর্ষ নেতা-নেত্রীর আগমণকে সামনে রেখে কোনও প্রকার ঝামেলা, গণ্ডগোল রুখতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে প্রশাসন। এদিকে ১৯ এপ্রিল ভোট রয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। ২৬ এপ্রিল ভোট রয়েছে দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, বালুরঘাটে। ৭ মে ভোট রয়েছে মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণে। এখন দেখার ভোট মুখী উত্তরে গিয়ে কী বার্তা দেন মোদী-মমতা।







