নজরবন্দি ব্যুরোঃ হু হু করে বাড়ছে করোনা। এমত অবস্থায় করোনা আবহে হবে নির্বাচন। সেই সিদ্ধান্তে অটুট থাকছে চায় নির্বাচন কমিশন। বুধবার নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক ডাকল কমিশন। দুই দফায় হবে বৈঠক।
আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত হাওড়ার ৪৬ স্বাস্থ্য কর্তা! জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা


সূত্রের খবর, প্রথম দফার বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির। দ্বিতীয় দফার বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে চার পুর নির্বাচনের পর্যবেক্ষকদের। আসানসোল নির্বাচনের জন্য দুই জন, বিধাননগরের জন্য একজন, চন্দননগরের জন্য একজন এবং শিলিগুড়ির পৌরনিগমের নির্বাচনে একজন করে পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা ১২ জন সাধারণ পর্যবেক্ষকদের।
কলকাতা পুর নির্বাচনে একাধিক জায়গায় সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এমত অবস্থায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের জন্য আবেদন জানিয়েছিল বিরোধীরা। যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে কোভিডের সংক্রমণ বিরুদ্ধে কমিশনের পদক্ষেপ নিয়ে।



ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে হবে নির্বাচন ? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল একাধিকবার সোমবার এনিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় নিয়ম মেনে হবে নির্বাচন। তবে ভোট প্রক্রিয়া এবং প্রচারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধি লাগু করল কমিশন।
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বন্ধ ঘরে প্রচারের ক্ষেত্রে ২০০ জনের বেশী লোক যেন না থাকে। খোলা জায়গায় প্রচারে থাকবেন ৫০০ জন। দুই ক্ষেত্রেই নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন। তবে বড় ধরনের কোনও জমায়েত যাতে না হয় সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে সমস্ত দলগুলিকে। সেইসঙ্গে জোর দেওয়া হয়েছে কোভিড বিধি পালনের ক্ষেত্রেও।
রাত ৮ টা থেকে সকাল ৯ টা অবধি কোনও জনসভা করা যাবে না। ভোট কর্মীদের দুটি টিকা বাধ্যতামূলক। প্রার্থী এবং নির্বাচনী এজেন্টদের একটি ডোজ বাধ্যতামূলক। বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া প্রার্থীর সঙ্গে সর্বাধিক ৫ জনের অনুমতি।
রবিবার ঘোষণার পর থেকেই আজ থেকে রাজ্যজুড়ে লাগু হয়েছে করোনা বিধি। রাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন কমিশনকে অবগত করেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব। রাজ্য সরকারের বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবগত করান মুখ্যসচিব। সূত্রের খবর, মাস্ক পড়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের ওপরেই বেশী গুরুত্ব দিতে চাইছে কমিশন।
করোনা আবহে হবে নির্বাচন, কোন বিধিতে কতটা মান্যতা

সোমবার মনোনয়ন জমার শেষের দিনেই জমায়েত দেখে চিন্তিত ওয়াকিবহাল মহল। এখনও প্রচার বাকি। সেখানেও উদ্বেগ থেকে যাচ্ছে। ২৫ জানুয়ারি ফল ঘোষণা। কারণ, কলকাতা নির্বাচনে জমায়েতের ছবি দেখেছে রাজ্যের মানুষ। তা থেকে শিক্ষা নিয়েই এদিনের পদক্ষেপ।








