নজরবন্দি ব্যুরো: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তোলপাড় বাংলা। দুর্নীতি দায়ে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ব্যাকিবুর রহমান। শুধু তাই নয় দুর্নীতির রহস্য সমাধানে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের একে একে তলবো করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর অন্যদিকে তদন্তের জেরে ইডির তদন্তকারী অফিসারদের হাতে এসেছে একটি মেরুন ডায়েরি।
আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ‘ঘনিষ্ঠ’ ২ ব্যবসায়ীর বাড়িতে ED, এজেন্সির সক্রিয়তায় ‘বিপদ’ বাড়ছে মন্ত্রীর?


ইডি সূত্রে খবর, ওই মেরুন ডায়েরী ছাড়াও আরও তিনটি নোটবুকও কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে রয়েছে। আর সেগুলি মিলেছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে। যার দরুন বেশ কয়েকবার মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ককে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে। আর একবার ফের তদন্তের স্বার্থে ইডির অফিসে তলব করা হল মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ককে। আগামী সোমবার তাঁকে ইডির অফিসে আরও এক দফা হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, ওই মেরুন ডায়েরিতেই লুকিয়ে থাকতে পারে দুর্নীতির রহস্য। তাই এবার মেরুন ডায়েরির লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় নথির দফতরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ককে। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই মেরুন ডায়েরিতেই উল্লেখ রয়েছে বালুদা’র নাম। তাছাড়াও কতদিন ধরে কার কার থেকে টাকা এসেছে! কিংবা সেই টাকা কোথায় রাখা রয়েছে! সেই সমস্ত সংক্রান্ত হিসেবে লেখা রয়েছে ওই ডাইরিতেই।



দুর্নীতির রহস্য লুকিয়ে ওই মেরুন ডায়েরিতেই, প্রাক্তন আপ্তসহায়ককে ফের তলব
যদিওবা মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস নোটবুকের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলেই এর আগে দাবি করেছেন। অন্যদিকে, ইডির তদন্তকারী অফিসাররা শনিবার সকালেই তেড়েফুঁড়ে রেশন দুর্নীতির তদন্তে আলাদা আলাদা টিম অভিযান চালাচ্ছেন বনগাঁ, সল্টলেক, নদিয়া-সহ রাজ্যের একাধিক প্রান্তে। বেশ কয়েকজন রেশন ডিলারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারী অফিসাররা।








