নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে ইডি। মঙ্গলবার তাঁকে ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম কিংপিন মানিক, প্রায় এক দশক ধরে তৃণমূলের জমানায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদ সামলেছেন তিনি। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিকের সরাসরি যোগের সন্ধান পেল তদন্তকারী সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: অনুব্রত কন্যাকে নোটিশ সিবিআইয়ের, নজরে আত্মীয়দের সম্পত্তি


২০১১ সাল থেকে ৫৮ হাজারের বেশী নিয়োগ হয়েছে। দুর্নীতির পাহাড় জমা হয়েছে তৃণমূলের আমলে তা বোঝাতেই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন ইডি। দুর্নীতির সঙ্গে প্রতিটি ধাপে মানিক ভট্টাচার্য যুক্ত রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইডি। এমনকি মানিকের পরিবারের সদস্যরাও এর সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে, এর আগে মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে একাধিক তথ্য পেয়েছিল ইডি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে মানিকের কম্পিউটার থেকে। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে টাকার বিনিময়ে চাকরি বিলিয়েছেন মানিক। সেই টাকা গেছে প্রভাবশালীদের কাছেও।
ইদির তরফে প্রশ্ন হল, নিয়োগ দুর্নীতির টাকা মানিক মারফত কার অ্যাকাউণ্টে যেত? সেটা খুঁজে বের করার প্রয়োজন রয়েছে। সেকারণেই মানিকের মুখোমুখি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের অনুমান, নিয়োগের নাম বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই বিষয়ে মেসেজের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।


নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম কিংপিন মানিক, বিস্ফোরক দাবি ইডির

অন্যদিকে, গতকাল ব্যাঙ্কশাল আদালতের তরফে মানিক ভট্টাচার্যকে ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গ্রেফতারি এড়াতে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মানিক ভট্টাচার্য। মামলা গ্রহণ করলেও সেই মামলার শুনানি হয়নি বুধবার। ফলত, ইডি হেফাজতেই থাকতে হচ্ছে মানিককে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



