নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশজুড়ে ৮ থেকে ৮০-র মুখে এখন শুধুই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির নাম। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হানা দিচ্ছে ইডির দল। রাজ্যে তারা যখন কিছুদিন আগেই নগদ ২২ কোটি উদ্ধার করে গ্রেফতার করেছে পরিষদীয় মন্ত্রী তথা শাসক দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঠিক তখনই দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীকেও দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ বেলঘরিয়ায় অর্পিতার ফ্ল্যাটে ইডি হানা, দুর্নীতির জাল গোটাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।



আর ইডির তৎপরতায় যখন ঘুম উড়েছে দেশের হেভিওয়েটদের ঠিক তখনই সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় পেল তারা। আর সাথে সাথেই বেশ কিছুটা ক্ষমতা বাড়ল নফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির। দেশ জুড়ে ইডি-এর তৎপরতা ও তাদের ক্ষমতার পরিধি জানতে চেয়ে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট এমনই নির্দেশ দিয়েছে এদিন। গ্রেফতারি, তল্লাশি, বয়ান রেকর্ড, সম্পত্তি সিজ সমস্ত ক্ষমতাই থাকছে ইডির হাতে।

এদিন আর্থিক তছরূপ রুখতে তৈরি আইনের (PMLA) সমস্ত ধারাকে বহাল রাখার সঙ্গে সঙ্গে ED-এর সমস্ত ক্ষমতাকেই মান্যতা দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। এর মধ্যে রয়েছে সেকশন ৩ (definition of money laundering), সেকশন ৫ (attachment of property), সেকশন ৮(৪) [taking possession of attached property], সেকশন ১৭ (search and seizure), সেকশন ১৮ অর্থাৎ অভিযুক্তের খোঁজ, সেকশন ১৯ গ্রেফতারির ক্ষমতা, সেকশন ২৪ (reverse burden of proof) এবং সেকশন ৪৫ (offences being cognizable and non-bailable)।


আর্থিক তছরূপ রুখতে আরও ক্ষমতা বৃদ্ধি, সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় ED-র।

এদিন কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদম্বরম, সহ ২৪২ জনের দায়ের করা মামলার শুনানি হয় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেটের গ্রেফতারি, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত সহ একাধিক ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মামলাকারীরা। সেই মামলা শোনেন বিচারপতি এএম খানউইলকরের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ। সওয়াল জবাবের শেষে ইডির ক্ষমতাকেই মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।







