নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাকরির নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ। গত ২৭ সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয়েছিল আব্দুর রহমানের। সেই ঘটনায় এখনও কেন অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হল না? এই দাবিতে শনিবার লালগোলা থানা অভিযান চালায় বাম ছাত্র যুব নেতৃত্ব। বাম ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত লালগোলা, ধুন্ধুমার হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
আরও পড়ুনঃ KL Rahul: পরপর দুটি ম্যাচে ফ্লপ কেএল রাহুল, সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলল ভারত
লালগোলা থানা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহিমের দাদা রমজান শেখ। এদিন বাম ছাত্র যুবদের মিছিল ব্যারিকেড দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় মিছিল। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কার্যত রণক্ষেত্র আকার নেয় লালগোলা। থানার সামনে বেশ কিছু সময় ধরে চলে বিক্ষোভ।

ডিওয়াইএফআই-এর রাজ্য সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি সাহা বলেন, প্রশাসন এবং লালগোলা তাহান ছাত্র যুবদের আন্দোলনের চাপে দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু আসল মাছ এখনও অবধি ধরা পড়েনি। ধরা পড়েছে চুনোপুটি। রাজ্যের আসল মাছটাকে ধরতে হবে। এমনকি আব্দুর রহমানের পরিবারের ওপর প্রশাসন এবং তৃণমূলের নেতাদের তরফে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা আজ বলে গেলাম ওদের পরিবারের পাশে রয়েছি।
প্রসঙ্গত, টাকা দিয়ে চাকরি না পাওয়ার কারণে আত্মঘাতি হন প্রতারিত চাকরি প্রার্থী আব্দুর রহমান। প্রথমে কোনও ময়নাতদন্ত ছাড়াই দেহ কবরস্থ করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু পর দিন উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। ঘটনার পরেই আব্দুরের বাড়িতে উপস্থিত হন ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব। পরে সেই ঘটনায় দিবাকর কনুই নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
বাম ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত লালগোলা, ভাঙা হল ব্যারিকেড

আব্দুরের পরিবারের দাবি, স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য দিবাকর কনুইকে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দিবাকর তাঁকে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই তরফের পরিচিত রেহেশান শেখের মাধ্যমে মোটা টাকা নিয়েছিল। হয়নি চাকরি, মেলেনি টাকা। তাই আত্মহত্যা করে ওই যুবক।



