নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলার দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ সম্মান দিয়েছে ইউনেস্কো। আর তাদের এই পদক্ষেপকে সম্মান জানিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিলেন এক বড় পদক্ষেপ। আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলার দুর্গাপুজো নিয়ে নিজের মতামত এর কথা ব্যক্ত করেন। বাংলার দুর্গাপুজো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা কি? মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা, সামনে বার দুর্গাপুজো হবে একমাস ধরে।
আরও পড়ুনঃ ‘চায়ের মধ্যে লুকিয়ে অনেক গভীরতা’, আধিকারিকদের চায়ের আড্ডার পরামর্শ মমতার
অর্থাৎ দূর্গা উৎসব শুরু হবে পয়লা সেপ্টেম্বর। আর ওই দিনই রাজ্যজুড়ে বিশাল মিছিলের আয়োজন করবে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কলকাতার পুজো কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করবেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিন রাজ্যজুড়ে হবে মিছিল।ওইদিন দুপুর ১টা নাগাদ কলকাতার শ্যামবাজারে জড়ো হবেন সকলে। থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীও। সেখান থেকেই শুরু হবে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা।

কত দূর পর্যন্ত এই মিছিল হবে, সেটা পরে ঠিক হবে বলে জানিয়েছেন মমতা। মিছিলে অংশ নেবেন মহিলারা। উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে উদযাপিত হবে এই সম্মান। সংখ্যালঘু মহিলারা দোয়া করবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রত্যন্ত জেলাগুলি থেকে এসে কলকাতার মিছিলে অংশ নেওয়া সম্ভব হবে না অনেক বাসিন্দার। তাঁদের জন্য জেলায়-জেলায় মিছিল করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই উদ্যোগ নেবেন জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপাররা। এবার রেডরোডের কার্নিভ্যালও হবে আরও রঙিন।
এবারের দুর্গোৎসব সেলিব্রেশন হবে এক মাস ধরে, পরিকল্পনা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রতিবারের মতো আমন্ত্রিত হবে কূটনীতিবিদরা। থাকবেন বিশেষজ্ঞরাও। এছারাও এবার ইউনেস্কোকে সম্মান জানাতে তৈরি হবে বিশেষ লোগো। সকলকে একাধিক ডিজাইন পাঠাতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যেখান থেকে চুড়ান্ত ডিজাইন বেছে নেবে রাজ্য সরকার। এক কথায় এবারের দুর্গা পুজো সবদিক থেকেই হবে অনেক বড় অনেক রঙিন এবং অনেক উৎসবমুখর









