নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিট পরীক্ষার কাউন্সেলিং কেন হচ্ছে না? কেন প্রতিবাদরত চিকিৎসকদের ওপর পুলিশ দিয়ে হামলা করা হচ্ছে? এই প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সমস্ত সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসকরা। আন্দোলনে নামলেন তিন হাজার চিকিৎসক। অচল রয়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবা।
আরও পড়ুনঃ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার দীনেশ মোঙ্গিয়া


এদিন হাসপাতালের এমার্জেন্সি ওয়ার্ড থেকে সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য জমায়েত হন তিন হাজার চিকিৎসক। কিন্তু তাঁদের ব্যারিকেড করে আটকে দেয় পুলিশ। শুধুমাত্র সফদরজং নয়, হাসপাতলে শামিল হয়েছেন কস্তুরবা গান্ধী হাসপাতালের চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মণ্ডবীয়র সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। স্লোগান চলে,”পেহলে হামপে ফুল বারসায়া, ফির হামকো ফুল বানায়া”।
এই মুহুর্তে বদনহ রয়েছে দিল্লির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সফদরজং হাসপাতালের ওপিডি বিভাগ। আন্দোলনের বিরাট প্রভাব পড়েছে দিল্লির চাচা নেহেরু হাসপাতালে। কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের ওপিডি এবং অন্যান্য বিভাগ। এমনিতেই মঙ্গলবার থেকে সমস্ত নন-এমার্জেন্সি বিভাগের পরিষেবা বন্ধ করেছেন এইমসের।


ইতিমধ্যেই এইমসের রেসিডেন্সিয়াল চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে সরকারের কাছ থেকে সন্তোষজনক উত্তর না এলে বুধবার থেকেই সমস্ত পরিষেবা বন্ধ করে দেবেন তাঁরা। চিকিৎসকদের অভিযোগ, প্রতিবাদ মিছিলের সময় তাঁদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে পুলিশ। যদিও পুলিশের দাবি, টানা ৬ থেকে ৮ ঘন্টা আইটিও রোড বন্ধ করে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা। প্রথমে সরে যাওয়ার কথা বলা হলে যান চলাচল বন্ধ করে দেন তাঁরা। তাই তাঁদেরকে সরানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল।
আন্দোলনে নামলেন তিন হাজার চিকিৎসক, সরকারের হস্তক্ষেপ চাইছেন তাঁরা
চিকিৎসকদের অভিযোগ, নিট পরীক্ষার কাউন্সিলে সরকার দেরি করছে। এর ফলে তাঁদের ওপর কাজের চাপ বেশী পড়ছে। তাই দ্রুত কাউন্সেলিংয়ের দাবীতে প্রতিবাদে বসেন তাঁরা। একাধিক ওয়ার্ড বন্ধ থাকায় ফিরে যেতে সাধারণ মানুষকে।







