নজরবন্দি ব্যুরো: শেষ হয়েছে পঞ্চায়েত ভোট। খুন, গোলাগুলি, ব্যালট ধ্বংস থেকে শুরু করে কোনও সব কিছুরই সাক্ষী থেকেছে গ্রাম বাংলার মানুষ। রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ১৩ জন। এবার বেলাগাম সন্ত্রাসের প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে দিলীপের বক্তব্য, থানায় বসে ছিল বাহিনী, ব্যবহারই করেনি প্রশাসন।
আরও পড়ুন: বাংলার দরিদ্র পড়ুয়াদের স্কলারশিপ দেবে কেন্দ্র, জানুন আবেদনের শেষ তারিখ


শনিবাসরীয় ভোটের জন্য গ্রাম বাংলায় মোতায়েন করার কথা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর বাহিনী মোতায়েন করার একমাত্র কারণ, হিংসাকে প্রতিরোধ করা। অথচ নির্বাচনের পর বিরোধীদের মুখে একটাই অভিযোগ, বাহিনীকে ইচ্ছে করে কাজেই লাগায়নি রাজ্যের প্রশাসন। এবার দিলীপ ঘোষের গলাতেও সেই এক সুর। রবিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, ‘কোথায় ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী? হাইওয়েতে গাড়ি করে ঘুরছিল। আর থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল। আদালত জোর করে পাঠালে কী হবে, রাজ্য প্রশাসন তো ব্যবহার করেনি। প্রশাসন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করলে এত মানুষ খুন হতো না। ভোট করতে দেওয়া হয়নি বলেই পুনর্নির্বাচনের দাবি করব। অধিকাংশ বুথে বাহিনী দেখাই যায়নি। যার পরিণতিতে এই মৃত্যুমিছিল’।

ভোটের দিন যখন একের পর এক লাশ পড়ছিল তখন প্রাথমিকভাবে মুখ খোলাননি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এরপর দুপুরের পর রাজীব সিনহা এবং কমিশুনের তরফ থেকে ৩টি মৃত্যুকে স্বীকার করে নেওয়া হয়। তা নিয়েও সরব হতে দেখা যায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি সরাসরি কমিশনের দফতরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এবার নির্বাচনের হিংসার জন্য রাজ্য প্রশাসনকেই দায়ী করলেন দিলীপ ঘোষ।


থানায় বসে ছিল বাহিনী, ব্যবহারই করেনি প্রশাসন, কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন দিলীপ








