নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজনৈতিক নেতাদের মন্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। বিভিন্ন জায়গা থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া অস্ত্র দিয়ে তৃণমূল কর্মীরা প্রশিক্ষণ নেবেন বলেই দাবি করেছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। এবার মদন মিত্রকে গ্যাংস্টার বলে কটাক্ষ দিলীপের। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির মন্তব্যে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।
আরও পড়ুনঃ Todays Horoscope: রবিবার কি রয়েছে আপনার ভাগ্যে? এক কাপ চা হাতে জানুন আজকের রাশিফল


গতকালের এক সভা থেকে দিলীপ ঘোষের উদ্দেশ্যে মদনের বার্তা ছিল, দিলীপবাবু বলেছেন, কর্মীদের ঘরে ঘরে অস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছেন। অস্ত্র কোথায় পৌঁছচ্ছে জানতে পারলে আমাদের ভালই হবে। আমাদের কর্মীরা গিয়ে ওগুলো নিয়ে নেবে। এরপরেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন তৃণমূল বিধায়ক। তিনি বলেন, আমাদের কাছে ভাল প্রশিক্ষক রয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই প্রাক্তন সেনা কর্মী এবং কর্নেল। আমাদের কর্মীরা ওই বন্দুক নিয়ে প্র্যাকটিস করবে যাতে সেগুলো বিজেপি ব্যবহার করতে না পারে।

রবিবার মদন মিত্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, তৃণমূলের একজন সাংসদ কীভাবে বোমা তৈরি করতে হয়, কী কী জিনিস দিতে হবে সেটাও বলে দিচ্ছেন টিভিতে। এরপর এমএলএ মদনবাবু বলে দিচ্ছেন কীভাবে ট্রেনিং দিতে হবে, ট্রিগারে কোথায় হাত দিতে, কাঁধে কোথায় বন্দুক রাখবে, কার পিছনে দেবে। ওদের বড় বড় নেতা যদি এইরকম গ্যাংস্টার হয়, বাকি যাঁরা আছে তাঁরা তো প্রেরণা পাবেই।

একইসঙ্গে শনিবারের শ্যুট আউটের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, শ্যুট আউট কোনও ঘটনা নয়, এটা প্রতিদিন হয়। এমন কোনও দিন নেই। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসছে। অবৈধ অস্ত্রশস্ত্র বোমা বারুদে সারা পশ্চিমবঙ্গ ভরে গেছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তৃণমূলের নেতারাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণ হচ্ছে যারা এই ধরনের সমাজবিরোধী তারা পার্টির মধ্যে ঢুকে অ্যান্টিস্যোশাল কাজকর্ম করছে আর নিজেদের মধ্যে মারপিট ভাগোয়ারা তাই নিয়ে গোলাগুলি হচ্ছে। একইসঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।


মদনকে গ্যাংস্টার বলে কটাক্ষ দিলীপের, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

একইসঙ্গে ইন্দিরা গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্দিরা গান্ধীর অসমাপ্ত কাজ সেরে যাবেন। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতার মন্তব্য, সে দিকেই নিয়ে যাচ্ছেন। এমার্জেন্সি হবে যাতে পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রকে শেষ করা যায়, সেটা করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে যাবেন।







