নজরবন্দি ব্যুরোঃ পয়গম্বর বিতর্কে সারা দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় বইতে শুরু করেছে। গত তিন দিন ধরে হাওড়া এবং মুর্শিদাবাদের রণক্ষেত্র পরিস্থিতি গড়ে উঠতে দেখা গেছে। রবিবার চা চক্রে যোগ দিয়ে এই ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার। তাই ইন্টারনেট বন্ধ করে দিচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, এবার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হল মুর্শিদাবাদের ৩ থানা এলাকায়
মেদিনীপুরের সাংসদের কথায়, রাজ্য সরকার পরিস্থিতি কন্ট্রোল করতে পারছে না। উলটে উস্কে দিচ্ছে। তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে এটাকে ব্যবহার করছে । যখন কাশ্মীরে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তখন এখান থেকে অনেক নেতা নেত্রী চেঁচামেচি করছিলেন যে কেন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে! তাহলে এখন আপনারা কেন করছেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেন না? আর সেই কারণেই কি ইন্টারনেট বন্ধ করতে হচ্ছে?

পয়গম্বর মহম্মদকে নিয়ে নুপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে হাওড়ার অঙ্কুরহাটি এলাকায় রাস্তা অবরোধ শুরু হয়। সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। এরপর হাওড়া জেলার পাঁচলা, ধুলাগড়, উলুবেড়িয়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে গোটা এলাকা রণক্ষেত্র আকার ধারণ করে। বিজেপির দুটি পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই হাওড়ার গ্রামীণের বাগনান থেকে জগতবল্লভপুর সহ একাধিক এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। পরিস্থিতি কড়া হাতে দমন করতে মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ্য বাহিনী। রবিবার থমথমে গোটা এলাকা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে সরকারের সমালোচনায় দিলীপ ঘোষ

শনিবার একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং বেলডাঙা। বেলডাঙা ১ ও ২ নম্বর ব্লক এবং রেজিনগর ও শক্তিপুর থানা এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। দুটি এলাকায় প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।









