দেবী দুর্গার বাহন সিংহ তাঁর শক্তি, সাহস ও নেতৃত্বের পরিচায়ক। শৈশবের কোমলতা এবং শক্তির মিলন ঘটিয়ে তিনি মহিষাসুরের মতো প্রবল শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ান। সিংহের শক্তি এবং সাহস দিয়ে দেবী দুর্গা আমাদের সবার জন্য একটি আদর্শ স্থাপন করেন।
মা দুর্গার এই দশ অস্ত্র শুধু শক্তির প্রকাশ নয়, প্রতিটি অস্ত্র মানব জীবনের একটি বিশেষ দিককে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে। তাই, দেবীর আরাধনা কেবল মহাপ্রতাপের জন্য নয়, মানবিক গুণাবলীর সুষ্ঠু বিকাশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
আসলে দশমীর দিন মা দুর্গাকে বিসর্জন দেওয়া হয় না। দেওয়া হয় মা দুর্গার মূর্তিকে। মাটির মোড় থেকে যখন প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন তা পরিণত হয় প্রতিমায়। আর দশমীর দিন শেষ পুজোর পর সে প্রতিমাকে প্রাণহীন করা হয়।
শ্রাবণ মাসে শিবপূজা করলে যাবতীয় গ্রহদোষ কেটে যায় বলে দাবি জ্যোতিষশাস্ত্রের। ফলে কোনও বাঁধা বিঘ্ন যা গ্রহের দোষের জন্য হয়ে থাকে, তা কাউকে বিব্রত করলে তিনি এই মাসে শিবপূজা করে তা কাটিয়ে তুলতে পারেন।
এই সব বিধি মেনে গোটা শ্রাবণ মাস শিবের পুজো করলে ভক্তের সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হয়। মানসিক শান্তি মেলে, রোগ-শোক দূর হয়। জটিল রোগমুক্তিও ঘটে। শ্রাবণ মাসে রোজ শিবলিঙ্গে জাফরান মিশ্রিত দুধ অর্পণ করলে বিবাহে বাধা কেটে যায়।