ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ, নাইট কার্ফুর মধ্যে কিভাবে ফিরবেন দর্শকরা? চিন্তায় CAB

ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ, নাইট কার্ফুর মধ্যে কিভাবে ফিরবেন দর্শকরা? চিন্তায় CAB
ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ, নাইট কার্ফুর মধ্যে কিভাবে ফিরবেন দর্শকরা? চিন্তায় CAB

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় ২ বছর পর ম্যাচ হচ্ছে ইডেন। আর এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। যদিও এই সিরিজ ভারত গতকাল জিতে গিয়েছে। তবুও যেহেতু অনেকদিন পর আন্তর্জাতিক খেলা পেয়েছে ইডেন সেই কারণেই আরও বেশি উত্তেজনা দর্শকদের মধ্যে। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে CAB-র পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ব্যবস্থা।

আরও পড়ুনঃ ৩ গুন দামে বিক্রি হচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ টিকিট, নির্বাক প্রশাসন

গতকাল এই খেলা নিয়ে মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই আগামী কালের খেলা নিয়ে সব প্রস্তুতি শেষের পথে। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে টিকিটের কালোবাজারি শুরু হয়েছে ইডেন চত্বরে। যা নিয়ে ইতি মধ্যেই শোরগোল পরে গিয়েছে ময়দান চত্বরে।

ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ
ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ

টিকিটের নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় তিনগুন দামে টিকিট বিক্রি বলে খবর। সব যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন সমস্যা এক জায়গাতেই। কোভিডের কারণে এখন তো রাত ১১টার পর থেকে নাইট কার্ফু থাকে। রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ বলবৎ থাকলে কী ভাবে ম্যাচ দেখে বাড়ি ফিরবেন দর্শকরা? সিএবি এ নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছে। রাতের বিধিনিষেধ যাতে শিথিল করা যায়।

ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ, নাইট কার্ফুর মধ্যে কিভাবে ফিরবেন দর্শকরা? চিন্তায় CAB

কিন্তু এখন এই নিয়ে কোন উত্তর রাজ্যের তরফ থেকে পায়নি CAB। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে সিএবির তরফে। তবে লালবাজার সূত্রে এখনও যা খবর, এ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশ এখনও তাদের হাতে এসে পৌঁছয়নি। লালবাজার এখনও অপেক্ষায় নবান্ন থেকে সবুজ সঙ্কেত আসার। সূত্রের খবর, মৌখিক ভাবে সিএবির তরফ থেকে কলকাতা পুলিশকে জানানো হয়েছিল রাত ১০টা ১০-এ খেলা শেষ হবে।

ইডেনে দিনরাতের ম্যাচ, নাইট কার্ফুর মধ্যে কিভাবে ফিরবেন দর্শকরা? চিন্তায় CAB

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাবে ১০টা ২০-এর মধ্যে। ফলে যাঁরা খেলা দেখতে আসবেন তাঁরা ১১টার মধ্যে শহর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু যদি কোন কারণে ঐ সময়ের মধ্যে কোন দর্শক শহর ছেড়ে বেরতে না পারেন তাহলে কি তাঁকে পুলিশি হেনস্থার মুখে পরতে হবে? এর কোন উত্তর এখনো দিতে পারেনি লালবাজার।