নজরবন্দি ব্যুরো: শীঘ্রই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়! এই ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় নাকি আমফানের থেকেই আরও বেশি ভয়ংকর হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলতি মাসেই বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে! আর ঘূর্ণিঝড়ের ফলেই সপ্তাহের শেষে নিম্নচাপ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে বঙ্গোপসাগরে! তবে এখনও পর্যন্ত সাইক্লোনিক সার্কুলেশন এর কথা বললেও সাইক্লোনের কোনও পূর্বাভাস দেয়নি ভারতের আবহাওয়া দফতর। কিন্তু এই সাইক্লোন মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলেছে, এমনটাই দাবি করেছে, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন সংস্থা।

অন্যদিকে, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন সংস্থা গুলি দাবি করছে যে, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ বা মায়ানমার উপকূলে। আগামী ৬ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরে এই ঘূর্ণাবর্ত ৮ থেকে ৯ তারিখের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে। যা পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।

এরপরে ওই গভীর নিম্নচাপ ১০ থেকে ১২ মে-এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর এই ঘূর্ণিঝড় চলতি মাসের ১৪-১৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম থেকে মায়ানমারের রাখাইন কুলের মাঝামাঝি কোনও একটা স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। আর সেই সময় ওই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিমি. থাকার সম্ভাবনা আছে।
ঘণ্টায় ১৫০ কিমি গতিবেগ, সপ্তাহের শেষে নিম্নচাপ তৈরির আশঙ্কা বঙ্গোপসাগরে

এদিকে, চলতি মাসের এই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নিচ্ছে নবান্ন। পাশাপাশি মে মাসের শুরু থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় চালু হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যের সব জায়গায় বিপজ্জনক নদী বাঁধগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার। যদিও এই ঘূর্ণিঝড় মোচা বাংলার উপকূলের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, সেই বিষয়টি অবশ্য এখনও স্পষ্ট কিছুই জানাননি আবহাওয়াবিদরা।



