নজরবন্দি ব্যুরোঃ পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর প্রশাসন। করনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলাতে পারছেনা গোতা দেশ। একাধিক পরিকল্পনা, প্রতিবেশী দেশের সাহায্য তার পরেও ভারতে বেড়েই চলেছে সংক্রমণের হার। টানা ৪ দিন পর দৈনিক সংক্রমণের পরিমাণ কিছুটা কমলেও বাড়ছে সংক্রমণের হার। এখনো বিভিন্ন ভাবে সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা।
আরও পড়ুনঃ টানা ৪ দিন পর কিছুটা কমলো দৈনিক সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার


প্রথম ঢেউ সামলে গেলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের সামনে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে গোটা একটা দেশ। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেন, হাসপাতালে বেড পাচ্ছে না রোগীরা। অভাব ওষুধের। গোটা দেশের মধ্যে করনার বাড়বাড়ন্তে থমকে আছে পশ্চিমবঙ্গও। দেশের মধ্যে অষ্টম স্থানে পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৯৩,১৫৯ জন, আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২,৩২৭। অক্সিজেনের চূড়ান্ত অভাব শুরু না হলেও ধীরে ধীরে শেষ হচ্ছে ভাড়ার। বেডের অভাবে করিডোরে শুয়ে আছে রোগী।
পরিস্থিতি সামাল দিতে মালদার ৪ হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে কোভিড ওয়ার্ড। ক্ষমতায় এসেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন এই মুহুর্তে প্রথম কাজ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। বেডের ঘাটতি পূরণের জন্য রাজ্য জুড়ে একাধিক জায়গায় চালু হয়েছে সেফ হোম। তৈরি হচ্ছে কোভিড বেড।
করোনার বেসামাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার ৪টি হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে কোভিড ওয়ার্ড। মোট ২৫০ টি বেডের সংখ্যা বাড়ছে। মালদার জেলাশাসক জানিয়েছেন এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় মালদা মেডিক্যাল কলেজের কোভিড বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ২০০ থেকে ২৫০ করা হয়েছে, তার সঙ্গেই ইংরেজবাজার সেফ হোমে বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হচ্ছে ২০০টি।









