নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রথমে শরদ পাওয়ার। পরে গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং ফারুক আবদুল্লাহ। তিন জনেই বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর প্রস্তাব ফেরানোর পর গতকাল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহার নাম ঘোষণা করা হয়েছে বিরোধীদের তরফে। সেই নামে অমত প্রকাশ করলেন রাজ্যের একমাত্র সিপি(আই)এম সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। নজরবন্দিকে তিনি জানান, ‘আরও ভালো প্রার্থী হতে পারত’।


জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধী জোটের স্বার্থে একই মঞ্চে সিপি(আই)এম এবং তৃণমূল উপস্থিত। কিন্তু রাজ্য রাজনীতিতে যুযুধান দুই পক্ষই। তাই যশবন্ত সিনহার নাম ঘোষণার পর থেকেই দলের নীচু তলার কর্মীরা অসন্তোষ প্রকাশ করতে শুরু করেন। কারণ হিসাবে বলে হচ্ছে, বিজেপি থেকে আসা যশবন্ত সিনহা হঠাৎ করে তৃণমূলে যোগদান। পরে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসাবে সেই যশবন্ত সিনহার নামে কেন্দ্রীয় কমিটির সবুজ সঙ্কেত এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।

এবার অমত প্রকাশ করে নজরবন্দিকে সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, বিরোধী ঐক্যের প্রশ্নে একটা অবস্থান নিতেই হতো। তবে আরও ভালো প্রার্থী হতে পারত। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য সহ জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।


শুরুতে অবশ্য বিরোধী দলের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসাবে শরদ পাওয়ারকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে দেওয়া প্রস্তাবে একমত হয়েছিলেন সমস্ত বিরোধী দলের নেতারা। কিন্তু শরদ পাওয়ার সরে যাওয়ার পরেই ফারুক আবদুল্লাহ এবং গোপালকৃষ্ণ গান্ধীদের নাম বেছে নেওয়া হয়েছিল। সেবার শিবসেনা প্রকাশ্যে বলেছিল “আরও ভালো প্রার্থী হতে পারত”। তাই যশবন্ত সিনহাকেই শেষমেশ বেছে নেওয়া হল।
‘আরও ভালো প্রার্থী হতে পারত’, মত সিপি(আই)এম সাংসদের

চন্দ্রশেখরের কেবিনেটে মন্ত্রী থাকার পর যোগদান বিজেপিতে। লালকৃষ্ণ আদবানী এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীদের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিতি ছিল যশবন্ত সিনহার। গত বছর তৃণমূলে যোগদান। তাই প্রাক্তন বিজেপি সদস্যকে মানতে একটু অসুবিধা হচ্ছে সিপি(আই)এমের।







