নজরবন্দি ব্যুরো: ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে এগাচ্ছে বালেশ্বর। তবে এখনও পর্যন্ত কাটেনি আতঙ্ক! রীতিমত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শেষ হয়েছে উদ্ধারকাজ। নতুন করে শুরু হয়েছে ট্রেন চলাচল। তবে এখনই সম্পূর্ণ রুপে চলছে না ট্রেন! বাতিল করা হয়েছে একাধিক ট্রেন। অন্যদিকে, হাসপাতালে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা! পাশাপাশি আহতদের ও অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। এখনও এই ঘটনায় অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: ‘তর্ক-বিতর্কের সময় নয়’, করমণ্ডল বিপর্যয়ে CBI তদন্ত প্রসঙ্গে ‘চুপ’ মমতা


আর এহেন পরিস্থিতিতে আতঙ্ক সরিয়ে আগামিকাল থেকে ফের লাইনে করমণ্ডল এক্সপ্রেস! রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বুধবার থেকে আবার লাইনে চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। তাছাড়াও পাঁচ দিন পর থেকে শালিমার স্টেশন থেকে নির্দিষ্ট সময়েই ছাড়বে এই ট্রেন। জানা যাচ্ছে, বুধবার বিকেল ৩টে ২০ মিনিটে শালিমার থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। আগের পথেই চলবে ট্রেন অর্থাৎ দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাহানগা বাজার স্টেশনের উপর দিয়েই যাবে এই ট্রেন।

রেল সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার পরে সোমবার ওই রেলপথে চলে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। তাছাড়াও আপ লাইন দিয়ে যায় ফলকনুমা এক্সপ্রেসও। সোমবার সব মিলিয়ে ওই লাইন দিয়ে ৪০টির বেশি ট্রেন চলাচল করেছে। তবে ঘটনাস্থলে ট্রেনের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় মাত্র ১০ কিলোমিটার। মঙ্গলবার দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আদিত্য চৌধরি জানান, ওই রেলপথ সারানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে সোমবার। তাই আগামিকাল থেকেই ওই পথে চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস।



প্রসঙ্গত, করমণ্ডলে প্রায় কয়েক হাজার যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওড়িশার হাসপাতালে ভর্তি ১১০০-রও বেশি যাত্রী। সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন অনেকেই। অন্যদিকে, যাদের পরিবারের লোকজনেরা ওই এক্সপ্রেসে ছিলেন, তাদের খোঁজ চালাচ্ছেন অনেকেই। এহেন পরিস্থিতিতে রেল দুর্ঘটনায় আহতদের খোঁজ পেতেই ওড়িশা সরকারের তরফে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আজ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক ঘোষণা করলেন যে, বালেশ্বরের দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি গুরুতর আহত হয়েছেন যারা, তাদের ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
আতঙ্ক সরিয়ে আগামিকাল থেকে ফের লাইনে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, আগের পথেই চলবে ট্রেন








