Sagardighi Election: ২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন, বিধানসভায় ফিরে এল কংগ্রেস

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সকাল থেকেই ভোট গণনায় এগিয়ে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। বেলা যতই গড়াতে থাকল, ততই জয়ের ব্যবধান বাড়তে থাকল কংগ্রেস। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই ৫০ হাজার ভোটে জয়লাভ করেছিলেন সুব্রত সাহা। সেই আসনেই ২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন। ফলে, বিধানসভায় জায়গা পেল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ সাগরদিঘিতে কংগ্রেস অনেক এগিয়ে, শাসক দলের বিরুদ্ধে হুঙ্কার অধীরের

গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছিল তৃণমূল। গত ডিসেম্বর মাসে তাঁর প্রয়াণে সেই আসনে ভোটের কথা ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সেই নির্দেশ মোতাবেক ২৭ ফেব্রুয়ারি হয় নির্বাচন৷ মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে বলেই দাবি করা হচ্ছিল। ভোট পড়ে ৭৮.১৮ শতাংশ।

২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন, বিরাট জয় কংগ্রেসের 
২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন, বিরাট জয় কংগ্রেসের 

১৪ রাউন্ড গণনার পরে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ালেন কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন। আপাতত ২২,৩২০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। ১৪ রাউন্ডের পর তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৮০,৫৬৬। তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ৫৮,২৪৬। কংগ্রেসের এই বিরাট জয় নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে সারা রাজ্যজুড়ে? যদিও এবিষয়ে মুখে কুলুপ তৃণমূলের নেতাদের।

২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন, বিরাট জয় কংগ্রেসের 

২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন, বিরাট জয় কংগ্রেসের 
২৩ হাজার ভোটে জয়ী বাইরন, বিরাট জয় কংগ্রেসের 

এই জয়ের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, এই নির্বাচনে কংগ্রেস-বাম আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়েছিলাম। আমাদের এই নির্বাচনে তৃণমূলের একটা অংশের সমর্থন অর্জন করতে সমর্থ হয়েছি। আমার মনে হয়, কৌশলগত কারণে অনেক বিজেপি সমর্থকও ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের প্রার্থী বাইরন সাধারণ মানুষের প্রার্থী হয়ে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয়বাহিনীর নিরপেক্ষতা এবং মানুষকে ভোট দেওয়ার অধিকার সুনিশ্চিত করাটা এই নির্বাচনে জয়ের অন্যতম কারণ। আমার একটাই কথা, এই নির্বাচন প্রমাণ করল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাজেয় নয়। তাঁকে পরাজিত করা যেতে পারে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন