নজরবন্দি ব্যুরো: দ্বিগুণ হল ভোট কর্মীদের কম্পেন্সেশন। ভোট কর্মীদের প্রতি সম্মান এবং সুরক্ষার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে ডেপুটেশন দিয়েছিল শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। আজ সদ্য শেষ হয়েছে প্রথম দফার ৩০ আসনে নির্বাচন। আর আজই আন্দোলনের জয় পেলেন ভোট কর্মীরা। আজ নির্বাচন কমিশন একটি সার্কুলার জারি করেছে ভোট কর্মীদের কম্পেন্সেশনের বিষয় নিয়ে। কমিশন জানিয়েছে কর্মরত ভোট কর্মীর হিংসাত্মক ঘটনায় মৃত্যু হলে ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন দেওয়া হবে। পাশাপাশি সাধারণ ভাবে মৃত্যু হলে দেওয়া হবে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন।
আরও পড়ুনঃ প্রথম দফার ৩০ আসনে কোন দল কত আসন পেতে পারে? এক্সিট পোল নয়, সম্পাদকের চোখে।
শুধু তাই নয় হিংসাত্মক ঘটনায় ভোট কর্মীর অঙ্গহানি হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে ১৫ লক্ষ টাকা এবং কর্তব্যরত থাকাকালীন যেকোন কারণে অঙ্গহানি ঘটলে দেওয়া হবে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা। উল্লেখ্য, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ একাধিকবার দাবি জানিয়েছিল এই কম্পেন্সেশনের বিষয় নিয়ে। বিশেষত শিক্ষক রাজকুমার রায়ের হত্যার পর সেই আন্দোলন জোরদার রূপ নেয়।
মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানিয়েছেন, “আমরা দাবি জানিয়েছিলাম হিংসাত্বক ঘটনায় কোনো ভোট কর্মীর জীবন গেলে তাঁর পরিবারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং সাধারণভাবে হতাহতের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা দিতে হবে কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই দাবি পুরোপুরি মেনে নেয়নি। কিন্তু আগের থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে যথাক্রমে ৩০ লক্ষ এবং ১৫ লক্ষ। অঙ্গহানির ঘটনা ঘটলে ৭.৫ লক্ষ টাকা এবং হিংসাত্মক ঘটনায় অঙ্গহানি করলে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে এবং জেলায় জেলায় ভোট কর্মীদের বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষক শিক্ষাকর্মী শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে বহুবার আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণের মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি আদায় সম্ভব হয়েছে।
কিংকরবাবু জানিয়েছেন, “আমরা দাবি জানিয়েছিলাম, ভোট কর্মীদের জীবনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একটা সার্কুলার থাকুক। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের এই সার্কুলারটি কিছুটা হলেও তা পূরণ করতে সাহায্য করবে। আমরা চাই এরকম ঘটনা ঘটলে তার পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। দাবি পুরোপুরি না মেনে নিলেও যেটুকু আমরা আদায় করতে পেরেছি তা কিন্তু আন্দোলনের মাধ্যমেই। আরও বহু দাবি রয়েছে আগামী দিনে সেগুলি আদায় সম্ভব হবে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমেই। আমরা চাই ভোট কর্মীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একটাও প্রাণ যেন না যায় নির্বাচন কমিশনকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।









