নজরবন্দি ব্যুরো: শর্তসাপেক্ষ অনুমতি কমিশনের, শীতলকুচি কাণ্ডে ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। গতকাল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জনসাধারণ মানুষ। ক্ষোভ বিক্ষোভ রাজনৈতিক তরজা সব মিলিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। প্রতি ঘটনায় মন্তব্য করছেন নেতা মন্ত্রীরা, উঠে আসছে পাল্টা মন্তব্য।
আরও পড়ুনঃ বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে! দিলীপের মন্তব্যে ফুঁসছে বাংলা


ঘটনায় কমিশনের ব্যর্থতার কথা বলছেন শাসক সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সেই নির্দেশের জন্যই আজ শীতলকুচি যেতে পারেননি মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে ভিডিও কলে কথা বলেছিলেন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে। নির্বাচন কালে যেহেতু একাধিক বিধি থাকে, সেই কারণে শিলিগুড়ির সভা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন আচরণ বিধি লঙ্ঘন না করে নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
ভোট পরিস্থিতিতে যেহেতু সরাসরি ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায়না, সেদিক থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন প্রার্থী হিসেবে ভোট করার পর যে অর্থ বাঁচবে তাই দিয়ে পাশে দাঁড়াবেন শীতলকুচির পরিবারগুলির পাশে। সূত্রের খবর পরিবার পরিস্থিতির কথা ভেবেই নিহত এবং আহতদের রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কমিশন রাজি হয়েছে, তবে দেওয়া হয়েছে শর্ত। রাজ্যের তরফ থেকে জানানো হয়েছে নিহতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের পরিবারকে ২লক্ষ টাকা দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ হিসেবে। এই বিষয়ে শর্ত সাপেক্ষে রাজি হয়েছে কমিশন।
শর্তসাপেক্ষ অনুমতি কমিশনের, শীতলকুচি কাণ্ডে ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। কমিশনের তরফ থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, ক্ষতিপূরণ দিতেই পারে রাজ্য সরকার, কিন্তু তা কোনো রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার করা যাবেনা, এবং এই ক্ষতিপূরণ কোনো রাজনৈতিক ব্যাক্তির মাধ্যমে দেওয়া যাবেনা।









