নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা মহামারীর কারণে দেশ জুড়ে প্রায় দেড় বছর প্রাথমিক, মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। কবে স্কুল খুলবে কবে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পঠন-পাঠন শুরু করবে স্কুলে সেই সব নিয়ে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় চলছে আলোচনা।
আরও পড়ুনঃ করোনা কালে এবার নয়া আতঙ্ক ‘মাংকি বি ভাইরাস’! এবারও সেই চিন


কিন্তু করোনার প্রথম ঢেউ দ্বিতীয় ঢেউ আসতে থাকায় সেটা কোনভাবেই সম্ভব হয়ে উঠছে না। এই করোনার কারণে বাতিল হয়েছে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক সহ কলেজের বিভিন্ন পরীক্ষা। কিন্তু এবার স্কুল খোলার ব্যাপারে পথ দেখাল আইসিএমআর। আইসিএমআর এর ডিজি বলরাম ভার্গবের যুক্তি, করোনাভাইরাস সামলানো ক্ষমতা শিশুদের সবচেয়ে বেশি তাই যদি স্কুল খুলতেই হয় তবে প্রাথমিক স্কুল থেকে ধাপে ধাপে স্কুল খোলা উচিত বলে তিনি মনে করেন তিনি।

এই প্রাথমিক স্তর থেকে স্কুল খোলার পেছনে আইসিএমআর এর কর্তা যে যুক্তি দিয়েছেন তা ঠিক এইরকম। সমীক্ষা বলছে শিশুদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ হলে তা মোকাবিলা করার ক্ষমতা একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির থেকে বহু গুণ বেশি। কারণ প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের শরীরে ‘রিসেপটর’ অনেক কম থাকে এই ‘রিসেপটর’ হলো করোনাভাইরাস এর প্রবেশ পথ।

তাই শিশুদের শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সুযোগও অনেক কম বলে মনে করেন আইসিএমআর এর কর্তা। বলরাম ভার্গবের আরো জানান তাদের সমীক্ষার চতুর্থ রিপোর্ট এসে গেছে আর সেখানে তারা দেখতে পেয়েছেন বড়দের মতো শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে ৬৭% শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবডি উপস্থিতি মিলেছে।


এদের মধ্যে ৬ থেকে ৯ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সের মধ্যে ৬১ শতাংশ। কিন্তু এরা কেউই টিকাকরণের আওতায় পড়েনি। অপরদিকে এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে আরও একটি তথ্য যেখানে দেখা যাচ্ছে এই সমীক্ষার জন্য যে সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়েছিল তাদের মধ্যে বেশিরভাগই করোনা টিকা নেওয়া ব্যক্তি।
করোনা কালে স্কুল খুলতে হলে তা খোলা উচিৎ প্রাথমিক থেকে! জানাল ICMR কর্তা
আর এই জায়গা থেকেই আইসিএমেরে ডিজি জানান যদি ভারতে স্কুল-কলেজ খুলতে হয় তবে প্রাথমিক স্তরে শিশুদের স্কুল থেকেই শুরু করা উচিত। তবে সে ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলি আছে সেগুলির মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলটি কোন জায়গায় অবস্থিত সেখানে সংক্রমণের অবস্থা কি এবং আগামী দিনে সেই এলাকায় সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কতটা রয়েছে এই দিকগুলো বিচার করেই স্কুল খোলা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আইসিএমআর কর্তা







