নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাত পোহালেই নিজের হাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বিলি করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। সেখানেই নিজের হাতে জনগনের হাতে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড তুলে দেবেন তিনি। আগামীকাল ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজারে বসবে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প।
আরও পড়ুনঃ নিতিশের বিহার উন্নয়নের মডেল সামনে রেখে বাংলার ৫০ আসনে লড়বে JDU!
উল্লেখ্য এদিন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা মমতা বন্দপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে গিয়েছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের গিরিশ মুখার্জি রোডে যান। এবং বিকেল বেলায় বেশ কিছু বাড়িতে গিয়ে গৃহ সম্পর্ক করেন। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপস্থিত থাকার কথা সামনে আসে রাত্রে।
রাত পোহালেই নিজের হাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বিলি করবেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, আজ বনগাঁর জনসভাতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুয়ারে সরকার ঠিক কি কি কাজ করছে সে বিশয়ে সবিস্তারে জানান উপস্থিত জনতাকে। পাশাপাশি বাম-বিজেপিকে এক সারিতে রেখে সুর চড়ান তিনি। তিনি বলেন, “সিপিএমের হার্মাদ এখন বিজেপির ওস্তাদ! গায়ের জোরে ৩ টে কৃষি আইন করেছে। কৃষকরা যা তৈরি করে তা মজুতদারিরা কেড়ে নিয়ে যাবে। আমরা চাষিদের সাহায্য করতাম। কেন্দ্র তাদের আইনে কৃষকদের ফসল সব মজুত করবে। আগামি দিনে বিনা পয়সায় খাদ্য দেব, এটা আমার প্রতিশ্রুতি। জব্বর মিথ্যা কথা বলা সরকার বিজেপি সরকার। আর কৃষকবন্ধু সরকার তৃণমূল।”
পাশাপাশি আজকের সভায় মুখ্যমন্ত্রীর অভিমান ফুটে ওঠে, কয়েকজন কে দেখা যায় প্ল্যাকার্ড হাতে কিছু দাবি তুলে ধরতে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের জানান, দাবি পূরণের জন্যেই দুয়ারে সরকার ক্যাম্প হচ্ছে। পলিটিক্যাল মিটিং এ সরকারের কথা নয়। মুখ্যমন্ত্রী অভিমান করে বলেন, ‘১০ কোটি লোককে সুযোগ সুবিধা দিয়েছি…… এর থেকে বেশি করা সম্ভব?।।এই কাজ যদি একজন করে দেখাতে পারে তা হলে একদিনের মধ্যে ইস্তফা দিয়ে চলে যাব। কাজেই সব কিছু করুন, আমাকে দুঃখ দেবেন না। আমাকে দুঃখ দিলে অভিমান করে চলে যাব। অনেক সময় মনে হয় আমার থাকাই হয়তো উচিত নয়, এরা চায়ই না!”



