লোকসভা নির্বাচন ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় জেলায় প্রচারে নেমে পড়েছেন। সোমবার, সপ্তাহের প্রথম দিনে বাঁকুড়ার রাইপুরে সভা করছেন তিনি। বাঁকুড়ার দুই লোকসভা কেন্দ্র বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee at Bankura)। সেখানেই বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁয়ের নাম না করে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি।

আরও পড়ুন: BJP-NIA যোগসাজশ, অভিযোগ জানাতে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের পথে তৃণমূল
এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একের পর এক ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আপনার দলকে চাঙ্গা করার জন্য হুঙ্কার দিন। ভোটের পর এখানে আমাদের সরকার থাকবে। আপনারা বলছে ভোটের পর জেলে পাঠাবেন, আমরাও তো বলতে পারি আপনাদের লোকজনকেও জেলে পাঠাব। কিন্তু আমি একথা বলিনি কারণ আমি এটা বিশ্বাস করি না।’ আরও বলেন, গত লোকসভায় বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর দুই আসনেই বিজেপি জিতেছিল। কিছু করেছে?’

নাম না করে বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁকে (BJP Candidate Saumitra Khan) আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ‘বিষ্ণুপুরের সাংসদের কথা নাই বা বললাম। জানি না ডিভোর্স হয়েছে কি না, তাঁর স্ত্রী বিষ্ণুপুরে দাঁড়িয়েছেন। সাংসদের ফটোগুলো যদি খুলি তাহলে বিষ্ণুপুরের মানুষ বুঝতে পারবেন বিজেপি কত আদর্শবান। সব ছবি আমার কাছে আছে।
আমার কাছে ছবি আছে, দেখালে বুঝবেন BJP কত আদর্শবান, নাম না করে সৌমিত্রকে কটাক্ষ মমতার

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও (Narendra Modi) নিশানায় আনতে ছাড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জলপাইগুড়ি মিটিং করতে গিয়েছিলেন। ব্লকে ব্লকে মিটিং করুন। আপনার অধিকার এটা। কিন্তু মিটিং করে জলপাইগুড়ির মানুষকে সাহায্যের কথা বললেন না? আমি মাঝরাতে ছুটে গিয়েছিলাম। সকলকে ত্রাণ দিয়েছি।’ কেন্দ্রীয় বঞ্চনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘কেন্দ্র আমাকে টাকা দেয় না। কিন্তু আমাদের থেকে ৬ লক্ষ ৬৫ হাজার কোটি টাকা নিয়ে গিয়েছে। ১ লক্ষ ৮৪ হাজার কোটি টাকা দেয়নি। তারপরও সবার মাইনে বাড়ানো হয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।’









