Indian Media: জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।

জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।
Channels May Have To Air Content Of National Importance From January 1

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রচার করতেই হবে জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত ‘কনটেন্ট’! টিভি চ্যানেল গুলোকে কড়া নির্দেশ মোদী সরকারের। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ কার্যকর করতে আসরে নেমেছে মোদী সরকার। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই চ্যানেলগুলিকে মেনে চলতে হবে নয়া নির্দেশিকা। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের জন্য সম্প্রচার করতে হবে জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত কনটেন্ট।

আরও পড়ুনঃ গোটা মন্ত্রিসভার জেলে যাওয়া উচিত, কেন এমন বললেন শুভেন্দু? কি যুক্তি?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ভারতে টেলিভিশন চ্যানেলের আপলিঙ্কিং এবং ডাউনলিঙ্কিং, ২০২২-এর নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই অনুমোদন করেছে। যার অধীনে জাতীয় ও জনস্বার্থে বিষয়বস্তু সম্প্রচার করা চ্যানেলগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।
জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।

কেন্দ্র জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের পিছনে সরকারের যুক্তি এয়ারওয়েভস ফ্রিকোয়েন্সিগুলি জনসাধারণের সম্পত্তি এবং সমাজের সর্বোত্তম স্বার্থে ব্যবহার করা। এই নতুন নির্দেশিকা ১ লা জানুয়ারি নভেম্বর ২০২৩ থেকে কার্যকর হবে বলেও জানান হয়েছে ৷ তবে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন যে চ্যানেলগুলিকে এই জাতীয় অনুষ্ঠান ধারণা ও প্রযোজনার জন্য সময় দেওয়া হবে।

জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।
জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, “এয়ারওয়েভস ফ্রিকোয়েন্সিগুলি জনসাধারণের সম্পত্তি এবং সমাজের সর্বোত্তম স্বার্থে ব্যবহার করা প্রয়োজন” ৷ এই ধরনের ক্ষেত্রে, এই নির্দেশিকাগুলির অধীনে একটি কোম্পানিকে একটি চ্যানেল আপলিঙ্ক এবং ভারতে ডাউনলিঙ্ক করার অনুমতি দেওয়া হয়।

জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।

জাতীয় ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ মোদীর।

চ্যানেলগুলিকে দিনে কমপক্ষে ৩০ মিনিট জাতীয় গুরুত্ব এবং সামাজিক প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলির ওপর অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা উচিৎ। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ও সাক্ষরতার প্রসার, কৃষি ও গ্রাম উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। এর বাইরে নারী কল্যাণ, সমাজের দুর্বল জনগোষ্ঠীর কল্যাণ, পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং জাতীয় সংহতির কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য।