নজরবন্দি ব্যুরো: আদালতে একাধিকবার ভর্ৎসনার মুখে পরতে চলছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এরপরে প্রশ্নের মুখে পরে আরও তৎপর হল কেন্দ্রীয় এজেন্সি গুলি। মঙ্গলবার প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তেড়েফুঁড়ে সিবিআই। খাস কলকাতার সল্টলেক, হাওড়ার দাসনগর-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
আরও পড়ুন: কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা চায় না ফরোয়ার্ড ব্লক, জোট নিয়ে দ্বিবিভক্ত বামফ্রন্ট!


যেহেতু, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’ নামের একটি সংস্থাকে পরীক্ষার উত্তরপত্র ওএমআর শিট দেখে নম্বর দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর সেই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল ওএমআর নষ্টের! সিবিআই সূত্রে খবর, এর আগে অভিযোগ ওঠায় সেই কোম্পানির মালিক কৌশিক মাজিকেও নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।

অবশেষে এদিন, ওই সংস্থার অফিস-গোডাউনে তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। শুধু তাই নয়, কৌশিক মাজির বাড়িতেও চলছে অভিযান। সিবিআইয়ের আধিকারিকরা মুলত জানতে চান যে, এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির কর্তা কী করে ওমএমআর শিট নষ্টের দায়িত্ব পেল? কে সুপারিশ করেছিল? কেন করা হয়েছিল তার উত্তর খুঁজছে সিবিআই।



মূলত, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের রিপোর্ট দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন বিচারপতি। রীতিমত তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে আতাঁতের অভিযোগ তোলেন তিনি। শুধু তাই নয় এর আগে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আদালতে প্রশ্নের মুখে পরতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এমনকী বিচারপতি অভিযোগ করে বলেন যে, “রিপোর্ট দেখে মনে হচ্ছে সিবিআই নিজেই কালপ্রিটদের ঢাকার চেষ্টা করছে।”
বিচারকের ভর্ৎসনার পরই সক্রিয় তদন্তকারীরা, একাধিক জায়গায় তল্লাশি CBI-এর








