ফুচকা খেতে প্রায় সব মানুষেরই কম বেশি ভালো লাগে। ফুচকা খেতে ভালবাসতে আট থেকে আসি সকলেই।নানা ধরনের মশলা দিয়ে মাখা আলুসেদ্ধ আর তার সঙ্গে তেঁতুলের জল ভাবলেই তো অনেকের মুখে চলে আসে জল। তবে জানেনকি আমাদের এই প্রিয় স্ট্রিট ফুডটি ক্রমেই আমাদের ডেকে আনছে বিপদ। জানা গেছে কর্নাটকের ফুচকা যা সব থেকে জনপ্রিয় তা ক্রমেই ডেকে আনছে স্বাস্থ্যের পক্ষে বিপদ। ফুচকার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ক্যানসারের বীজ!

ইতিমধ্যেই এই নিয়ে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা ফুচকার নমুনা সংগ্রহ করেছে। তা থেকে জানা গেছে এর মধ্যে প্রায় ২২ শতাংশ নামুনাই স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক। এছাড়াও সংগৃহীত ২৬০টি নমুনার মধ্যে প্রায় ৪১টি নমুনায় কৃত্রিম রং ও ক্যানসার সৃষ্টিকারী কার্সিনোজেনিক এজেন্টের খোঁজ মিলেছে। এছাড়া প্রায় ১৮টি নমুনা রয়েছে যা মানুষের খাওয়ার পক্ষে অনুপযোগী। আর তাই নিয়মিত ফুচকা খাওয়ার ক্ষেত্রে মূলত যে বিষয়গুলি স্বাস্থ্যের পক্ষে ডেকে আনতে পারে বিপদ সেগুলি অবশ্যই জেনে রাখা জরুরী।

যেমন প্রথমত:- আচ্ছা সাধারণত রাস্তার ধারে খোলা জায়গায় বিক্রি হয় সেক্ষেত্রে দূষিত জল এবং অপরিষ্কার উপাদান গুলি এই খাবারের সাথে জড়িত থাকে। দ্বিতীয়ত:-ফুচকা সুস্বাদু হলেও তা মোটেই বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। কারণ এর মাধ্যমে সঠিকভাবে করতে পারে অধিক মাত্রায় ক্যালরি।
ফুচকার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ক্যানসারের বীজ! কী বলছে গবেষণা

তৃতীয়ত:-ছাড়াও ফুচকার সঙ্গে পরিবেশিত আলু মাখা ও টক জল এছাড়াও নানান ধরনের ঝাল জাতীয় মশলা শরীরে সোডিয়াম এর মাত্রা বাড়িয়ে উচ্চ রক্তচাপ ও কার্ডিওভাস কুলারের মতো সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। চতুর্থত:-ফুচকায় ব্যবহৃত গুঁড়ো লঙ্কা হজমে ব্যাঘাত ঘটিয়ে সৃষ্টি করে বদ হজম ও অম্বল। পঞ্চমত:-অতিরিক্ত ফ্রাইয়ের কারণে শরীরে কোলেস্ট্রলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যার ফলে বৃদ্ধি পায় ওজন।



