নজরবন্দি ব্যুরোঃ বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন ২০২৪। আগামী বছরে দিল্লির মসনদে বসবে কে? বিশেষজ্ঞদের মতে, লোকসভা ভোটের আগে সেমিফাইনাল কর্ণাটকের বিধানসভা ভোট। তার আগেই কি দক্ষিণের রাজ্যে ধরাশায়ী হতে পারে বিজেপি? কর্ণাটকে ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে কি এবার কংগ্রসের হাত? মূলত এবার এরাজ্যে ২২৪ আসনে বিধানসভা আসনে ভোট হয়েছে। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে , ১০০ থেকে ১১০ এর মধ্যে আসন পেতে চলেছে কংগ্রেস, বিজেপি ৯০ থেকে ১০০ অর্থাৎ পিছিয়ে বিজেপি, এগিয়ে কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ ‘একসঙ্গে কাজ করতে হবে’, নীতীশ-সাক্ষাতের পর জোট নিয়ে আশাবাদী NCP প্রধান


কিন্তু বিজেপি-র ধারণা ক্ষমতায় আসছেই পদ্মফুল। কিন্তু কিভাবে? কর্ণাটকের (Karnataka) প্রভাবশালী বিজেপি নেতা আর অশোক যেমন স্পষ্ট বলে দিচ্ছেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও কর্ণাটকে সরকার গড়বে বিজেপিই। আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে ‘অপারেশন’ শুরু করব।” কিন্তু কি সেই অপারেশন? জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর সাথে কথা হয়ে গিয়েছে বিজেপি-র।
‘সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও কর্ণাটকে সরকার গড়বে BJP’, নেপথ্যে কে? এত কনফিডেন্ট কেন পদ্ম বাহিনী?
বিজেপির নেতারা বলছেন, তাঁরা কমপক্ষে ১২০ আসন পাবেন। তবে পরিস্থিতি তেমন হলে জেডিএসের (JDS) সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তাঁরা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুসম্পর্ক এক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে। বিজেপি নেতারা একপ্রকার স্বীকার করে নিচ্ছেন, দল জেডিএসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। জেডিএস সেই খবরে মান্যতা দিয়েছে।



জেডিএসের বর্ষীয়ান নেতা তানবীর আহমেদ জানিয়েছেন, “দুটি সর্বভারতীয় দলই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, এবং আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েও ফেলেছি কাকে সমর্থন করা হবে। তবে সেটা জানানো হবে সঠিক সময়েই।” এদিকে জেডিএস সূত্রে খবর সমর্থনের বিষয়ে কংগ্রেসের থেকে বিজেপিকে বেশি নাম্বার দিচ্ছেন জেডিএস নেতারা।

উল্লেখ্য, ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনেও ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়েছিল। সেবারে অনেক কম শক্তি থাকা সত্ত্বেও কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন কুমারস্বামী। এবারে কংগ্রেস এবং বিজেপির লড়াই হবে সমানে সমানে। সেক্ষেত্রে বিজেপিকে সমর্থন দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আর একবার শপথ নিতে পারেন কুমারস্বামী।







