কুশল দাসগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ বিজেপিতে ধস অব্যাহত উত্তরবঙ্গে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আশাতীত সাফল্য পায় বিজেপি। রাজ্যের ১৮টি আসনে জয়ী হন বিজেপি-র প্রার্থীরা। বিজেপি সবথেকে ভাল ফল করে উত্তরবঙ্গে। কিন্তু সেই বিজেপি ঝড় বর্তমানে তেমন ভাবে প্রভাব ফেলছে না উত্তরবঙ্গে। অন্তর্কলহ মিটিয়ে জোর কদমে ২১ নির্বাচনের লক্ষে এখন থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃনমূল। রোজই বিভিন্ন দল থেকে কর্মী সমর্থকরা যোগ দিচ্ছেন তৃনমূলে।
আরও পড়ুনঃ EMI স্থগিত ২ বছর? সুদের ওপর সুদ চাপাবে ব্যাঙ্ক? ৭ দিনের প্রতীক্ষা আর।


বিজেপিতে ধস অব্যাহত উত্তরবঙ্গে। আজও জলপাইগুড়িতে নিজেদের শক্তি বাড়ালো তৃণমূল কংগ্রেস। আজ প্রায় তিনশো জন বিজেপি কংগ্রেস এবং সিপিআইএমের সদস্য যোগদান করলেন তৃণমূলে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মন্ডলঘাট অঞ্চল এসসিএসটি সেলের পক্ষ থেকে তোড়লপাড়ায় একটি কর্মী সভার আয়জন করা হয়। এই কর্মীসভার মধ্য দিয়ে নবাগত সদস্যদের তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জলপাইগুড়ি বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর ডঃ প্রদীপ কুমার বর্মা ও এসসিএসটি সেলের জেলা নেতৃত্বরা।
প্রায় প্রতিদিন দলবদলের ঘটনায় কিছুটা ব্যাকফুটে বিজেপি। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাখির চোখ উত্তরবঙ্গ। এই গড় যাতে হাতছাড়া না হয়, তার জন্য বিশেষভাবে সতর্কতা নিল বিজেপি। ১৯-এর ভোটের পরিকল্পনায় ২১-এর নির্বাচনে বাজিমাত করার লক্ষ্যে শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গের ওয়াররুম করছে গেরুয়া শিবির। দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) অরবিন্দ মেননকে।
তিনি এখানে থেকেই ৫৪টি আসনের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করবেন। বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রবীণ আগরওয়াল বলেন, প্রত্যেকটি আসন দখলের লক্ষ্যেই আমরা এগোচ্ছি। অরবিন্দ মেনন মালদা থেকে কোচবিহার পর্যন্ত দেখবেন। ফলে দলের কার্যকর্তারা ভীষণভাবে উদ্বুদ্ধ হবেন। এর ফলে বুথ থেকে মণ্ডলস্তর পর্যন্ত দল শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন জলপাইগুড়ির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী।


তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা থাকলে কর্মীরাও দলের কাজে উদ্বুদ্ধ হবেন এবং সাহস পাবেন। আমরাও ভালো ফল করতে পারব। দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি মালতী রাভা বলেন, লোকসভা নির্বাচনে মেননজির নেতত্বে আমরা অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছি। বিধানসভা ভোটেও সাফল্য পাব বলে আমরা আশাবাদী।









