নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাত পোহালেই বিজেপির নবান্ন অভিযান। তার আগে বিজেপি দফতরে চুড়ান্ত তৎপরতা। দুপুর ১ টা থেকে শুরু হবে মিছিল। কলেজ স্ট্রিট, হাওড়া ময়দান, সাঁতরাগাছি তিন জায়গা থেকে মিছিল আসবে নবান্নের উদ্দেশ্যে। শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রেকর্ড ভিড় জমাতে চায় বিজেপি। যার নেতৃত্ব দেবেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদাররা।
আরও পড়ুনঃ BJP Nabanna Rally: উত্তরবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ট্রেনে উঠতে বাধা, অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে


বিজেপির কর্মীদের আটকানোর জন্য বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যারিকেড। দ্বিতীয় হুগলী সেতু থেকে কলকাতা আসা ও যাওয়ার মুখে যে সমস্ত রোড রয়েছে, সেখানে চলছে ব্যারিকেড নির্মাণের কাজ। প্রত্যেকটি জায়গায় দুটি করে গার্ড দেওয়া থাকবে। আগামীকাল কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য বিরাট বাহিনী মোতায়েন করা হবে। পুলিশ এবং পিডব্লুডির তরফে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এই মুহুর্তে রাজ্যের শাসক দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতারা জেলবন্দি। শাসক শিবিরের একাধিক নেতা এই মুহুর্তে ইডি ও সিবিআইয়ের স্ক্যানারে। জেলায় জেলায় মিছিলও ও সমাবেশ করে আগেই উত্তাপ ছড়িয়েছে বিজেপি। আগামীকাল নবান্ন অভিযানের মাধ্যমে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে চায় গেরুয়া শিবির।

বিজেপির নবান্ন অভিযানের কারণে সাধারণ মানুষকে যাতে না সমস্যায় পড়তে হয়, সেজন্য ৭ টি ট্রেন ভাড়া করা হয়েছে। যার আনুমানিক খরচ ২.৮৪ কোটি টাকা। এছাড়াও বাসের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১.৯২ কোটি টাকা। আজই একাধিক জেলা থেকে কর্মীরা উপস্থিত হবেন।


যারা দূর থেকে আসবেন তাঁদের খাওয়ার জায়গা করা হয়েছে শিয়ালদহ স্টেশনের পাশের গলির রেল কোয়ার্টারে। আর যাঁরা হাওয়া ময়দান হয়ে আসবেন, তাঁদের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে হাওড়া রেল কোয়ার্টারে। কী থাকছে খাবারের মেনুতে? জানা গিয়েছে, ভাত, ডাল, তরকারি, একেবারে সাধারণ বাঙালি খাবার রাখা হচ্ছে মেনুতে। সেজন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৩ লক্ষ টাকা। সোমবার রাতে যারা আসবেন, সেক্ষেত্রে তাঁদের রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিজেপির রাজ্য অফিসের পাশে মহেশ্বরী ভবনে।
যদিও তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছে, মিছিলে আসার জন্য গ্রামাঞ্চলে মাথাপিছু দেওয়া হচ্ছে ১২০০ টাকা। শহরতলীতে দেওয়া হচ্ছে ১৮০০ টাকা। এমনকি অন্য রাজ্য থেকে বিভিন্ন কর্মীদের আনতে ১.৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বিজেপি দফতরে চুড়ান্ত তৎপরতা, কলকাতা থেকে নবান্নের সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে

এখন থেকেই মুরলীধর সেন লেনে চুড়ান্ত তৎপরতা। কর্মীদের সঙ্গে পতাকা লাগানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও আজ থেকেই উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। তাদেরকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের তরফে।







