নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের শাসক দলের একাধিক দুর্নীতিমূলক কাজের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে আগামীকাল নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে শামিল হতে শুরু করেছেন বিজেপি কর্মীরা। কিন্তু উত্তরবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ট্রেনে উঠতে বাধা। কামাক্ষাগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার স্টেশনে পুলিশের টহল। কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে বিজেপি কর্মীরা ট্রেনে উঠতে গেলে তাঁদেরকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ West Bengal Assembly: রাজ্যে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অতিসক্রিয়তা, পাল্টা প্রস্তাব আনছে সরকার


অভিযোগ, এদিন তুফানগঞ্জে দাঁড়িয়ে ছিল স্পেশাল ট্রেন। সেখানে কর্মীরা উপস্থিত হতেই তাঁদেরকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। সরাসরি অভিযোগ উঠেছে পুলিশের তরফে। উপস্থিত হন মালতী রাভা রায়। পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আলিপুরদুয়ারের যিনি সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
বিজেপি তরফে অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ বিভিন্ন স্টেশনে টহল দিচ্ছে। বিজেপি কর্মীরা কোনভাবেই যাতে না নবান্ন অভিযানে শামিল হতে পারে, সেজন্য বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বেশ র্যালিকেও ছত্রভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে। স্টেশন চত্ত্বরে বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পরে বিকল্প রাস্তা ধরে তুফানগঞ্জ স্টেশনে উপস্থিত হুয়। বিজেপি কর্মীরা উপস্থিত হতেই ট্রেন এগিয়ে চলেছে নিউ কোচবিহার স্টেশনের দিকে। আগামীকাল উত্তরবঙ্গ থেকে আসা কর্মী-সমর্থকরা নামবেন শিয়ালদহ বা কলকাতা স্টেশনে। তাঁরা চলে আসবেন কলেজ স্ট্রিটে। সেখান থেকে মিছিল এগোবে নবান্নের দিকে। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।


বিজেপি সূত্রে খবর, আগামীকালের বিজেপির নবান্ন অভিযানের জন্য ৭ টি ট্রেন ভাড়া করা হয়েছে। বিজেপির এই নবান্ন অভিযানের জেরে পরিস্থিতি বেগতিক হতে পারে। এমনটাই আঁচ করা যাচ্ছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্ন চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ আধিকারিক ও কর্মী।
উত্তরবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ট্রেনে উঠতে বাধা, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

হাওড়া স্টেশনে আসা কর্মীরা চলে যাবেন হাওড়া ময়দানে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, হুগলি থেকে এই মিছিলে অংশ নিতে আসবেন কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তৃতীয় মিছিল শুরু হবে সাঁতরাগাছিতে। ওই মিছিলে সাঁতরাগাছি স্টেশনে নেমে কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেবেন। নেতৃত্বে থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী।







