নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইডি-সিবিআই সহ রাজ্যে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অতিসক্রিয়তা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন শাসক শিবিরের নেতারা। যেভাবে রাজ্যজুড়ে অভিযান চলছে তাতে বেজায় অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল নেতাদের। তাই ১৪ তারিখ থেকে শুরু বিধানসভার অধিবেশনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনা হচ্ছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। সোমবার একথা জানালেন শাসকদলের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Koffee With Karan: সেক্স করেই তিনি যৌবন ধরে রেখেছেন, অনিলের টোটকা শুনে অবাক বরুণ-করণ


এমনিতেই রাজ্যে বেড়েমছে ইডি ও সিবিআইয়ের তৎপরতা। জেলে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েচভহে ৫০ কোটি নগদ টাকা, সোনার গয়না ও বিদেশী মুদ্রা। শুধুমাত্র কলকাতায় নয়, রাজ্যের একাধিক প্রান্তে তাঁদের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে।
এছাড়াও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের নির্দেশে তদন্ত করতে নেমে ক্রমাগত একাধিক নেতাদের নাম জড়াতে শুরু করেছে। সিবিআই ও ইডির জোড়া চাপে মানিক ভট্টাচার্য ওপ প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীরা। এখনও অবধি বহু নেতা সিবিআইয়ের স্ক্যানারে রয়েছে বলে জানা গেছে।

এখনেই শেষ নয়, গরু পাচার মামলাতেও অনুব্রত মণ্ডলের ঠিকানা আসানসোলের সংশোধনাগার। সিবিআইয়ের স্ক্যানারে রয়েছেন অনুব্রত ঘনিষ্ট নেতা, বিধায়ক এমনকি কাউন্সিলররাও। দিনে দিনে যেভাবে তৃণমূলের নেতাদের সম্পত্তি বেড়েছে তাতে সিবিআই তদন্তের পক্ষে বিরোধীরা সওয়াল করলেও চরম বিরোধিতা জানাচ্ছেন শাসক শিবিরের নেতারা।


তাঁদের কথায়, বেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে ইডি ও সিবিআই দিয়ে প্রতিনিয়ত ভয় দেখানো হচ্ছে। ইডি ও সিবিআইয়ের মট কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই নতুন নিন্দা প্রস্তাব আনছে সরকার। এদিন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই বিষয়ে নোটিসও দিয়েছেন সরকারি দলের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ।
রাজ্যে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অতিসক্রিয়তা, বিরাট পদক্ষেপ সরকারের

তাঁর কথায়, আমাদের বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে ১৪ তারিখ থেকে। ১৫ তারিখ একটাই বিল আছে। এছাড়া যা যা নিয়ম মেনে হয় সবই থাকবে। ১৯ তারিখ একটা রেজলিউশন আসছে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে ১৬৯ ধারা মেনে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভূমিকা নিয়ে। এই প্রস্তাবটা আসছে, আলোচনা হবে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, সিবিআই, ইডি বা ইনকাম ট্যাক্স বিভাগ এমনকি ইলেকশন কমিশনকেও ওরা কাজে লাগাচ্ছে নানাভাবে। যেখানে যেখানে বিরোধী সরকার আছে, সরকারকে অপদস্থ করার চেষ্টা করছে। এর বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ সরকারই প্রথম রেজলিউশন আনতে চলেছে।







