গরু পাচার থেকে কাট মানি নেন মন্ত্রী গৌতম ও রবীন্দ্রনাথ! বিস্ফোরক রাজু।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার থেকে কাট মানি নেন মন্ত্রী গৌতম ও রবীন্দ্রনাথ! বিস্ফোরক রাজু। গরু পাচার কাণ্ডে নির্বাচনের গন্ধ! একদিকে CBI-টার্গেটে যখন রাজ্যের রাঘব বোয়ালরা। তখন অন্যদিকে গরুপাচার কাণ্ডকে হাতিয়ার করল বিজেপি। এদিন বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জী সুকৌশলে গরু পাচার কাণ্ডের সাথে নাম জুড়ে দেন তৃণমূল নেতাদের! এদিন এদিন কৃষি আইনের সমর্থনে শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে মাল্লাগুড়ি পর্যন্ত মিছিল করে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ ডিসেম্বরে স্কুল খোলার সাথেই উচ্চপ্রাথমিকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে নিয়োগ!

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীরূপা মিত্র, শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রবীণ আগরওয়াল সহ বহু বিজেপি সমর্থক। সেখান থেকেই গরুপাচার চক্রে তৃণমূল জড়িত বলে মন্তব্য করেন রাজু। তিনি বলেন, “সামনেই ফাঁসিদেওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্ত। সেখান দিয়ে যে গরুপাচার হচ্ছে তার টাকা নিচ্ছেন মন্ত্রী গৌতম দেব ও রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।”

গরু পাচার থেকে কাট মানি নেন মন্ত্রী গৌতম ও রবীন্দ্রনাথ! বিস্ফোরক রাজু। রাজুর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “গরুচোরের মন্তব্যের কোনও জবাব দিতে চাই না।” পাশাপাশি তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার বলেন, “প্রমাণিত সত্য যে গরুপাচারের সঙ্গে কিছু বিএসএফ আধিকারিক, শুল্ক দপ্তরের বেশ কয়েকজন যুক্ত। কোনও প্রমাণ ছাড়া দু’জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কীভাবে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করতে পারেন। আমরা এর বিরুদ্ধে এফআইআর করব ও সুপ্রিম কোর্টেও যাব।”

প্রসঙ্গত, সিবিআই তদন্তে উঠে আসা এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বিএসএফের কমান্ডান্ট পদমর্যাদার আধিকারিক, সতীশ কুমারের নামে এফআইআর করা হয়েছে। সিবিআই আধিকারিকদের ইঙ্গিত, বিএসএফ এবং কাস্টমসের পাশাপাশি, এ রাজ্যের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরও নাম উঠে এসেছে প্রাথমিক অনুসন্ধানে। ওই প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও বিএসএফ এবং কাস্টমসের আধিকারিকদের মতোই লাভবান হয়েছেন গরু পাচারের সিন্ডিকেট থেকে। ভোটের আগে সিবিআইের এহেন ইঙ্গিতে ভীত এখন সেইসব রাঘববোয়ালরা।

গরু পাচারচক্রের হদিশ পেতে বুধবার কলকাতা, সল্টলেক, রাজারহাট, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং ভিন্ন রাজ্যে সব মিলিয়ে ১৩টি জায়গায় তল্লাশি করে সিবিআই। এছাড়াও অমৃতসর, গাজিয়াবাদ এবং রায়পুরে তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। সতীশের সল্টেকের বাড়িতে তল্লাশি চলে। পরে এ দিন সন্ধ্যায় ওই বাড়ি সিল করে দিয়েছে সিবিআই। সতীশ বর্তমানে ছত্তীসগঢ়ের রায়পুরে কর্মরত। সেখানেও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। সিবিআই হানা দেয় তাঁর গাজিয়াবাদের বাড়িতেও।

মুর্শিদাবাদের কুলগাছিয়াতে অভিযুক্ত এনামুলের গ্রামে তাঁর সিন্ডিকেটের দুই শাগরেদ গোলাম মোস্তাফা এবং আনারুল শেখের বাড়িতেও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। গরুকে বাছুর বানিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও কেন্দ্রীয় শুল্ক দফতর -এর ‘বেনামী’ রোজগার হয় কোটি কোটি টাকা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গবাদি পশু পাচারের তদন্তে নেমে এমনটাই জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। পাচারের এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বিএসএফ, কাস্টমস-সহ বিভিন্ন দফতরের একাধিক সরকারি আধিকারি

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত