নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিসেম্বরে স্কুল খোলার সাথেই উচ্চপ্রাথমিকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে নিয়োগ। উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ নিয়ে জটিলতার মাঝেই টাস্ক ফোর্স গঠন করে চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছিল শিক্ষা দফতর আর এবার পাওয়া গেল নিয়োগের ইঙ্গিত। একদিকে যখন হাইকোর্টে তারিখের পর তারিখ শুনানি হয়েই চলেছে উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ মামলায় তখন অন্যদিকে নিয়োগ করার প্রস্তুতি নিল রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে বাড়ল সংক্রমনের গতি, কমল টেস্ট! আজও মৃত্যু ছুঁল রেকর্ড সংখ্যা।


ডিসেম্বরে স্কুল খোলার সাথেই উচ্চপ্রাথমিকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে নিয়োগ। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোন সোশ্যাল পোস্ট বা মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট বা ফেসবুক লাইভের তলায় হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীদের একাধিক ক্ষোভযুক্ত দাবি বিভিন্ন সময়ে চোখে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। বিশেষ সূত্রের খবর, মমতা বন্দোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন আইনি জটিলতা কাটলেই দ্রুত নিয়োগ করতে হবে উচ্চ প্রাথমিকে। সেই কারনেই তড়িঘড়ি গঠন করা হয়েছে ৭ সদস্যের টাস্ক ফোর্স।
শিক্ষা দফতরের আশা অক্টোবর বা নভেম্বরের মাঝামাঝি হাইকোর্টের রায় হাতে চলে আসবে। সেক্ষেত্রে যেমন রায় দেবে হাইকোর্ট সেইভাবেই নিয়োগ করা হবে। সূত্র জানাচ্ছে, অন্য বেঞ্চ বা সর্বোচ্চ আদালতে কোন অ্যাপিল করবে না রাজ্য সরকার। সূত্র জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে হবে কাউন্সেলিং। সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে।
কমিশন সূত্রে খবর, কিভাবে সফল প্রার্থীদের কাউন্সেলিং করা হবে এবং নিয়োগপত্র কত তাড়াতাড়ি দেওয়া সম্ভব হবে তা নিয়ে টাস্কফোর্স কাজ করছে। টাস্কফোর্সের ৭ সদস্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান, স্কুল শিক্ষা দফতরের একজন আধিকারিক এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এক আধিকারিক রয়েছেন।


সূত্রের খবর অনলাইনে কাউন্সেলিং এর পাশাপাশি ভার্চুয়াল মাধ্যমেই কিভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া যায় তা খতিয়ে দেখছে টাস্ক ফোর্স। জানা গেছে উচ্চ প্রাথমিক এর শূন্য পদ রয়েছে ১৪ হাজার ৩৩৯টি। এই সবকটি পদেই বছর শেষ হওয়ার আগে নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। সূত্র জানিয়েছে ডিসেম্বর নাগাত স্কুল খুলতে পারে। কমবেশি ক্লাস শুরু হবে জানুয়ারিতে, তার আগেই শিক্ষকের অভাব পূরনে এই ১৪ হাজার ৩৩৯টি পদে নিয়োগ করা হবে।







