নজরবন্দি ব্যুরো: বিজেপি নেতার হত্যা কাণ্ডে অন্তর্ঘাতের আশঙ্কা! রবিবার ভরা সন্ধ্যেতে টিটাগড় পুরসভার বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুন হতেই রাজ্য রাজনীতি তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। তবে নির্ধারিত সময়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেননি রাজ্য প্রশাসনের কেউই। যদিও দুপুরে পুলিশের রিপোর্ট হাতে নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত আবু হাসেম খান চৌধুরী। অবস্থা সংকটজনক!


অন্যদিকে বিজেপি সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেও বারাকপুরে বিজেপি নেতা খুনের তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনে। গোটা খুনের ঘটনা ঘিরে অনেকগুলো প্রশ্ন ঘুরপাক খেয়ে চলেছে। ঘটনাস্থলের নিকটে ওষুধের দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা আচমকা উধাও হয়ে যাওয়া। নিহত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার দেহরক্ষীর টানা ৭ দিনের ছুটি নেওয়া।
খুনের আগে টার্গেটের গতিবিধির খবর পাঠানো আততায়ীদের কাছে। তদন্তের লিড নিতে একদিকে বাধা, আবার তদন্তের গতি বাড়াতে সহায়ক। ঘটনাচক্রে নিহত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার ওপরে আগেও দুবার খুন করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর দাবি, ‘ওর নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমি করে দিয়েছিলাম।’
বিজেপি নেতার হত্যা কাণ্ডে অন্তর্ঘাতের আশঙ্কা! সূত্র মারফৎ খবর, মণীশ শুক্লার ২ জন নিরাপত্তারক্ষী রবিবার থেকে ৭ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। রবিবার সন্ধেয় যখন তিনি টিটাগড়ের পার্টি অফিসে যান, তখন সঙ্গে কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল না। অথচ এমনটা হওয়ার কথা নয়। তাহলে কি এর পিছনে কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে? এছাড়াও প্রাথমিক তদন্ত সূত্র জানাচ্ছে, মণীশ কে টার্গেট করা হচ্ছিল গত কয়েকদিন ধরেই! আততায়ীরা সুযোগ খুঁজছিল নিরাপত্তারক্ষীহীন অবস্থায় তাঁকে একা পাওয়ার।


বিভিন্ন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে আততায়ীদের সেফ প্যাসেজ দিতেই কি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ছক কষে এই খুনের ঘটনা? তদন্তের দায়িত্বতে সিআইডি। আগামী দিনে বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় কারা কারা সিআইডির জালে উঠে আসে সেটাই দেখার।








