ভোটের আগে নতুন বিতর্কে জড়াল উত্তরপাড়ার বিজেপি প্রার্থী Dipanjan Chakraborty। এনএসজি পোশাক পরে প্রচার এবং নিজেকে ‘র’-এর প্রাক্তন কর্তা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিলেন এক প্রাক্তন কম্যান্ডো। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা বাহিনীর মর্যাদা ও তথ্যের গোপনীয়তা নিয়েও।
এই বিতর্কে সরব হয়েছেন Sujay Mondal, যিনি সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সেস এক্স এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের সভাপতি এবং প্রাক্তন কোবরা কম্যান্ডো। তাঁর অভিযোগ, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী দীর্ঘদিন এনএসজি-তে ছিলেন বলে দাবি করলেও বাস্তবে সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছরের বেশি সেখানে থাকা যায় না।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন দীপাঞ্জনের পরিচয় নিয়ে। তাঁর কথায়, কেউ যদি আইটিবিপি থেকে ডেপুটেশনে এনএসজি-তে যান, তবে তাঁকে ‘সেনাকর্তা’ বলা যায় না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সবচেয়ে বড় আপত্তি তুলেছেন রাজনৈতিক প্রচারে এনএসজি-র পোশাক ও মনোগ্রাম ব্যবহারের বিরুদ্ধে। সুজয়ের বক্তব্য, কোনও রাজনৈতিক মঞ্চে এই ধরনের ইউনিফর্ম ব্যবহার করা শুধু অনুচিতই নয়, তা নিরাপত্তা বাহিনীর মর্যাদাকেও খাটো করে।
এছাড়াও ‘র’ বা Research and Analysis Wing-এর নাম ব্যবহার নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কেউই প্রকাশ্যে নিজের পরিচয় দেন না—এটাই তাদের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
এই অভিযোগ ঘিরে অস্বস্তিতে পড়েছেন দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তবে তিনি আগেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর দাবি, সমস্ত তথ্য ও নথি হলফনামায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বক্তব্যের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। তাই এই বিতর্কের কোনও ভিত্তি নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনের মুখে এই ইস্যু রাজনৈতিকভাবে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।



