নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার থেকেই উত্তপ্ত ভাঙড়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও বুধবার সকাল থেকেই ফের ভাঙড় ২ ব্লকের বিডিও অফিসের সামনে জড়ো হয় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। আইএসএফ কর্মীদের মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকি নওশাদ সিদ্দিকির পিঠের চামড়া তুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এরপরই এদিন আচমকা নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলেন ভাঙড়ের বিধায়ক।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে ৫ জেলায় ভালো ফলের সম্ভাবনা, কোন অঙ্কে নির্ভর করে আশাবাদী BJP?
বুধবার ভাঙড়ের পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ জানাতে সরাসরি নবান্নে হাজির হন নওশাদ সিদ্দিকি। নবান্ন থেকে বেরিয়ে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক জানান, পঞ্চায়েত ভোটের আগে ভাঙড়ের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। আগে থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে ইমেল মারফত তাঁর আসার খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকার কারণে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি বলেও জানিয়েছেন নওশাদ।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ চলছে রাজ্যজুড়ে। প্রথম দিন থেকেই একাধিক জায়গায় অশান্তির খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙর। ডিও অফিসের সামনেই বোমাবাজি শুরু হয়। কয়েক রাউন্ড গুলি চলে। এমনকি স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা আইএসএফ কর্মীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেয় এবং দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বলেও বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে নিরাপত্তা চেয়ে মামলা করে আইএসএফ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পুলিশ পিকেটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের নিশানায় উঠে আসে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, “নওশাদ তাণ্ডব করেছেন পীর হয়েও। আমরা বসে থাকব না। নওশাদ সিদ্দিকির পিঠের চামড়া তুলে নেব আজ।” আরও বলা হয়, “নওশাদের লোকেরা গতকাল অশান্তি করেছে। আজ আর তাঁদের মনোনয়ন পেশ করতে দেওয়া হবে না।” সব মিলিয়ে ফের অগ্নিগর্ভ এলাকা। তবে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার দাবি, শান্তিপূর্ণভাবেই মনোনয়নের কাজ চলছে।
আচমকাই নবান্নে নওশাদ, মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানাতেই গিয়েছিলেন বিধায়ক




