নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২০১১ সালে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই ভোটে জিতেই প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন হন মমতা বন্ধোপাধ্যায়। কিন্তু সেই বছর ও উপনির্বাচন লড়তে হয়েছিল তাঁকে। এরপরের গল্প সকলেরই জানা।তবে এবার সময় বদলেছে, বাম-কংগ্রেস কে পিছিয়ে দিয়ে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিরোধী আসনে আসীন হয় বিজেপি। যার প্রভাব এসে পড়তে শুরু করে আবারের বিধানসভা নির্বাচনে।
আরও পড়ুনঃআমাদের মধ্যে কোনও রেষারেষি নেই, সিপিআইএম ক্যাম্পে জমিয়ে আড্ডা ফিরহাদের।


এবারের বিধানসভা নির্বাচনে যে ৭৭ টি আসনে বিজেপি জয় লাভ করে তাঁর মধ্যে অন্যতম ছিল নন্দীগ্রাম। ভোটের শুরু থেকেই সকলের ফোকাসে ছিল এই কেন্দ্র। যেখানে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বাম নেত্রী মীনাক্ষীর বিপক্ষে ভোটে লড়ে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধোপাধ্যায়। তবে প্রথমে দিকে ১২০০ ভোটের ব্যবধানে মমতা বন্ধোপাধ্যায় কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী সময়ে গণনা করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী কে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
তবে এবার রাজ্যের উপনির্বাচনে নিজের পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেই ভোটে দাঁড়ান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অপরদিকে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কে। যিনি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এণ্টালি থেকে তৃনমূলের অন্যতম নেতা স্বর্ণকমল সাহার বিরুদ্ধে লড়াই করে ছিলেন। অন্যদিকে নির্বাচনী বিপর্যয় কাটিয়ে পুরনো প্রার্থীদের বাদ দিয়ে ছাত্র নেতা শ্রীজীব বিশ্বাস কে প্রার্থী করে বামফ্রন্ট।


ভোটের নিরিখে পিছিয়ে ভবানীপুর,ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

এখন সকলেরই নজর ভবানীপুরের এই কেন্দ্রের দিকে। আজ বেলা ৩ বেজে পনেরো মিনিট নাগাদ “মিত্র ইন্সটিউশনে” ভোট দিতে আসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে বেলা দুটো নাগাদ চেতলা গার্লস স্কুলে নিজের ভোটদান পর্ব মিটিয়ে এসেছেন পরিবহণ মন্ত্রী ববি হাকিম। তবে এখন পর্যন্ত পরিসংখ্যানের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে সামশেরগঞ্জ। যেখানে এখন ও পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৭.১৫ শতাংশ, এরপরেই জঙ্গিপুর ৫৩. ৭৮ শতাংশ এবং শেষে ভবানিপুরে ভোট পড়েছে৩৫.৯৭ শতাংশ।








